ঢাকা, সোমবার, ২৫ জুন ২০১৮, ১১ আষাঢ় ১৪২৬

হিলি স্থলবন্দরে খালাসের অপেক্ষায় নয় হাজার মেট্রিকটন চাল

http://bdsaradin.com//হিলি-স্থলবন্দরে-খালাসের/
BYরংপুর | ২০১৮, জুন ১২ ০১:২৮ অপরাহ্ণ

এম এ আজিজ, হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরের গত ৭ দিন ধরে আটকে থাকা নয় হাজার মেট্রিকটন আমদানি করা চাল এখনো খালাস করা হয়নি। চাল আমদানিতে সরকারের শুল্ককর বাড়ানোর পর থেকেই খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন এ বন্দরের আমদানিকারকেরা। গত ৪ জুন বাণিজ্যমন্ত্রীর চাল আমদানিতে থাকা শুল্ককর ২ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশ করার কথা সংসদে জানান। তারপর থেকে ব্যবসায়িরা বন্দর থেকে চাল খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। বন্দরের আমদানিকারক ব্যবসায়িরা জানান, শুল্ককর বাড়ানোর আগে আমদানি করা চাল ২৮ শতাংশ শুল্ককরে ছাড় করা হলে তারা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। তাই আগের ২ শতাংশ শুল্ককরে ছাড় করার দাবি জানান তারা। হিলি স্থলবন্দর আমদানিকারক গ্রæপের সভাপতি হারুন-উর-রশিদ জানান, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে গেল মঙ্গল ও বুধবার ভারতীয় ৩৪৬ ট্রাকে ১২ হাজার ৪৯৮ মেট্রিকটন চাল আমদানি হয়েছে। বুধবার দুপুর থেকে কাষ্টমস এর সার্ভার সমস্যার কারনে চালসহ সকল আমদানিকৃত পন্য ছাড় নিতে পারেননি বন্দরের আমদানিকারকরা। বুধবার আমদানিকরা চাল আগের নিয়োমে ছাড় করণের দাবি জানিয়ে কাষ্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানালেও সেখান থেকে কোন সাড়া না পাওয়ায় তা ছাড় করতে পারছেননা ব্যবসায়ীরা। সরকার ৭ জুন থেকে চাল আমদানিতে শুল্ককর বাড়ানোর ঘোষনা দিয়েছেন। কিন্তু আমরা ৬ জুন তারিখে আমদানি করা চালগুলো ২ শতাংশ শুল্ককরে ছাড় করার দাবি জানাচ্ছি। বেসরকারি অপারেটর পানামা পোর্টের ব্যবস্থাপক অসিত কুমার জানান, গত ৫ দিন ধরে বন্দরের পানামা পোর্টে ২৩৮ টি ভারতীয় ট্রাকে প্রায় সাড়ে নয় হাজার মোট্রিকটন আমদানি করা চাল খালাসের অপেক্ষায় আটকে আছে। শুনেছি সরকার চালের উপর বিদ্যমান থাকা শুল্ককর ২ শতাংশ থেকে ২৮ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। একারণে ব্যবসায়িরা চাল খালাস কার্যক্রম বন্ধ রেখেছেন। হিলি স্থলবন্দরের ডেপুটি কমিশনার মো. রেজভী আহম্মেদ জানান, ৭ জুনের পর কোন আমদানিকারক চালের ছাড়পত্রের জন্য আসেনি। তাই খালাস কার্যক্রম বন্ধ আছে।

Share this: