ঢাকা, শুক্রবার, ১৭ আগস্ট ২০১৮, ২ ভাদ্র ১৪২৬

সাবেক স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

http://www.dhakatimes24.com/2018/05/17/81470/সাবেক-স্বামীর-বিরুদ্ধে-ধর্ষণের-অভিযোগ
BYনিজস্ব প্রতিবেদক, গোপালগঞ্জ

গোপালগঞ্জে চক্ষু হাসপাতালের এক নার্সকে তার সাবেক স্বামী ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার ভোরে সদর উপজেলার ঘোনাপাড়ায় ওই নার্সের ভাড়া বাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত সুব্রত দেবনাথকে গ্রেপ্তার করে।

এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জ সদর থানায় ওই নার্স বাদী হয়ে একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। এ ঘটনায় ওই ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষা গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে সম্পন্ন করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, ২০১১ সালে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠি গ্রামের ওই নারীর সাথে ঝালকাঠির সুব্রত দেবনাথের বিয়ে হয়। বিয়ের দুই বছরের মাথায় ২০১৩ সালে দুইজনের বনিবনা না হওয়ায় তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। ওই নার্স বর্তমানে গোপালগঞ্জ চক্ষু হাসপাতালে কর্মরত আছেন। এরপর থেকে নানাভাবে সুব্রত ওই নার্সকে উত্ত্যক্ত করে আসছে। এ ঘটনার আগেও মেয়েটিকে গোপালগঞ্জে এসে সুব্রত উত্ত্যক্ত করে পুলিশের কাছে ধরা পড়ে। পরে থানায় মুচলেকা দিয়ে ছাড়া পায়।

নির্যাতনের স্বীকার নার্স সাংবাদিকদের বলেন, বুধবার রাতে সুব্রতের এক বন্ধু ও বন্ধুর স্ত্রী আমার বাসায় এসে বিষয়টি মীমাংসা করে দেবার কথা বলে। এ বিষয়ে আমরা কথা বলছিলাম। এর কিছু সময় পর সুব্রত কাবলি ড্রেস ও মাথায় টুপি পরে বাসায় ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সুব্রতের বন্ধু ও বন্ধুর স্ত্রী রুমের বাইরে গিয়ে বাইরে থেকে সুব্রত ও আমাকে তালা দিয়ে আটকে রাখে চলে যায়।

আর এই সুযোগে সুব্রত আমার হাত-পা ও মুখ বেঁধে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে মুখ খুলে গেলে আমি চিৎকার দিই। এসময় আমাকে মারধরও করা হয়। পরে এলাকার লোকজন আমার চিৎকার শুনে আমাকে উদ্ধার করে ও সুব্রতকে ধরে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ গিয়ে সুব্রতকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলাম জানান, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তের বন্ধু ও তার স্ত্রীকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সুব্রত দেবনাথ মুখে দাড়ি ও কাবলি পোশাক পরিহিত হওয়ায় আমাদের সন্দেহ হয়। এ কারণে তার গ্রামের বাড়ি ও সংশ্লিষ্ট থানায় খোঁজ নেয়া হচ্ছে। সে কোন অপরাধ চক্রের সাথে জড়িত কি না।

(ঢাকাটাইমস/১৭মে/এলএ)