ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ৮ ফাল্গুন ১৪২৬

চট্টগ্রাম বন্দরের জন্য কর্ণফুলী নদীকে বাঁচাতে হবে

https://www.jugantor.com/todays-paper/last-page/268177/চট্টগ্রাম-বন্দরের-জন্য-কর্ণফুলী-নদীকে-বাঁচাতে-হবে
BY  চট্টগ্রাম ব্যুরো ১৮ জানুয়ারি ২০২০, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
কর্ণফুলী নদী।ফাইল ছবি চট্টগ্রাম বন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেছেন নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা। শুক্রবার তারা নির্মাণাধীন পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল, এনসিটি, সিসিটি ও কর্ণফুলী চ্যানেল পরিদর্শন করেন। চট্টগ্রাম বন্দরে বে-টার্মিনালসহ বেশ ক’টি প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন। এসব প্রকল্প শেষ হলে দেশের প্রধান এই সমুদ্র বন্দরের সক্ষমতা বাড়বে। এদিক থেকে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যদের এই পরিদর্শন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বন্দরসংশ্লিষ্টরা।

কমিটির সভাপতি মেজর (অব.) রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পরিদর্শন টিমে ছিলেন ৬ জন। তাদের সঙ্গে ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও বন্দরের কর্মকর্তারা। সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্যরা নৌপথে পতেঙ্গা বোট ক্লাব থেকে পরিদর্শন কাজ শুরু করেন। তারা কর্ণফুলী নদীর শাহ আমানত সেতু পর্যন্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। এসময় নদীর ৩ থেকে ৪টি পয়েন্টে সৃষ্ট ডুবো চর তাদের নজরে পড়ে। তাৎক্ষণিকভাবে এসব ডুবো চর অপসারণে ড্রেজিংয়ের নির্দেশ দেয়া হয়। নদীর দু’পাশ দখলমুক্ত করতে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তারা জানান।

মেজর (অব) রফিকুল ইসলাম বলেন, কর্ণফুলী নদীকে রক্ষা করাই হবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ। কারণ নদী যদি আরও ছোট হয়ে যায়, পলি জমতে থাকে তাহলে বন্দরের দক্ষতা কমে যাবে। আমাদের লক্ষ্য হল বন্দরটাকে আরও আধুনিক করা। আর এজন্য কর্ণফুলী নদীকে বাঁচাতে হবে।

বন্দর কর্মকর্তারা স্থায়ী কমিটির সদস্যদের জানান, নদীর তলদেশে পলিথিন এবং অপচনশীল দ্রব্যের কারণে নাব্য সংকটের সৃষ্টি হচ্ছে। নানা সমস্যার পরও ক্যাপিটাল ড্রেজিং চলছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য কমোডোর সাইফুল বারী বলেন, কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে যুক্ত সর্বমোট ৩০টার মতো খাল আছে। এসব খাল হয়ে পলিথিন এবং দ্রবীভূত হয় না এমন জিনিস নদীর পানিতে এসে পড়ে। এসবই কর্ণফুলী নদীর নাব্য ধ্বংস করছে।