ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৭

‘খালেদা জিয়ার মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়েছি’

https://www.ntvbd.com/bangladesh/252775/‘খালেদা-জিয়ার-মুক্তির-জন্য-আন্দোলন-করতে-ব্যর্থ-হয়েছি’
BYনিজস্ব সংবাদদাতা
২০ মে ২০১৯, ২২:৫২

‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ আয়োজিত আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত অতিথিরা। ছবি : এনটিভি সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে খালেদা জিয়াকে জেলে আটকে রাখা হয়েছে। আইনি সাধারণ প্রক্রিয়ায় তাঁকে বের করা সম্ভব না, যদি না সরকারের স্বদিচ্ছা থাকে। কিন্তু সেটাও সম্ভব নয়। তাই বিএনপির যে জনপ্রিয়তা ও সমর্থন রয়েছে, বিশেষ করে বেগম খালেদা জিয়ার যে জনপ্রিয়তা রয়েছে, সেভাবে আমরা তাঁর মুক্তির জন্য আন্দোলন করতে ব্যর্থ হয়েছি। সে কথা স্বীকার করতে হবে।

সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘গণতন্ত্র ও খালেদা জিয়ার মুক্তি আইনজীবী আন্দোলন’ আয়োজিত আলোচনা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে খন্দকার মাহবুব হোসেন এসব কথা বলেন।

খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, আমি আশা করব রাজনৈতিক নেতাদের দিকে তাকিয়ে না থেকে বুদ্ধিজীবী সমাজ, পেশাজীবী সমাজ ও আইনজীবী সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে এবং তাদের নেতৃত্বে গণতন্ত্রের মুক্তির জন্য আমাদের আন্দোলন করতে হবে। গণতন্ত্রের যদি মুক্তি হয়, বেগম খালেদা জিয়ারও মুক্তি হবে। তাই আসুন আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে জাতিকে স্বৈরাচারীর শাসনের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এবং তাদের ভোটের অধিকার কায়েম করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে আন্দোলন গড়ে তুলি।

বিএনপির এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, এখন সময় এসেছে খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। তাঁর জীবন রক্ষার জন্য তাঁকে মুক্ত করতে হবে। আইনজীবীদের নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধভাবে রাজপথে নামতে হবে। ঐক্যবদ্ধ হতে পারলে ইনশা আল্লাহ খালেদা জিয়া মুক্তি পাবেন।

সংগঠনের সভাপতি আইনজীবী তৈমূর আলম খন্দকারের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন বিকল্পধারা বাংলাদেশের একাংশের মহাসচিব শাহ আহমেদ বাদল, সাবেক জেলা জজ শামসুল আলম, শওকতুল হক, মিজানুর রহমান, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, মাসুদ রানা প্রমুখ।

এতে আরো অংশ নেন সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন আহমেদ, আবেদ রাজা, খোরশেদ মিয়া আলম, সংগঠনের মহাসচিব এ বি এম রফিকুল হক তালুকদার রাজা, মো. শহীদুল ইসলাম, ফিরোজ শাহ, সুপ্রিম কোর্ট বারের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক কাজী জয়নাল আবেদীন, আইয়ুব আলী আশ্রাফী, আনিছুর রহমান খান, আশরাফুজ্জামান খান, ওয়াসেলউদ্দিন বাবু, মোস্তফা কামাল, আফজাল হোসেন, শাফিউর রহমান শাফি, শামসুল ইসলাম মুকুল, সরওয়ার কাওসার রাহাত, আবদুল হামিদ ভাষানী, অহিদুজ্জামান টিপু, বি এম সুলতান, নাছিরউদ্দিন সম্রাট, আবু হানিফ, মো. মুজিবুর রহমান, আনজুমান আরা মুন্নী, শামীমা আক্তার বানু, রাশেদা আলীম ঐশী, মতিন মণ্ডল, মনির হোসেন, নাজমুল হাসান প্রমুখ।