ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮, ২ শ্রাবণ ১৪২৬

নওগাঁয় শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ

http://www.pbd.news/whole-country/46865/নওগাঁয়-শিক্ষা-কর্মকর্তার-বিরুদ্ধে-ঘুষ-নেওয়ার-অভিযোগ
BYনওগাঁ প্রতিনিধি
প্রকাশ:  ১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:৩৩

নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ঘুষ, দুর্নীতি ও অসদাচরণের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঁচজন প্রধান শিক্ষক লিখিতভাবে এই অভিযোগ করেছেন। অভিযোগকারী শিক্ষকেরা উপজেলা রামকুড়া ক্লাস্টারের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা রনজিৎ কুমার শিকদার বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শনের সময় সকল শিক্ষকদের সঙ্গে অশোভন আচরণ করেন। ঘুষ না দিলে তাঁর কাছে বিদ্যালয়ের কাগজপত্র সুপারিশের জন্য নিয়ে গেলে তিনি তা ছুঁড়ে ফেলেন। সাব-ক্লাস্টারের প্রশিক্ষণের টাকা, আন্তঃপ্রাথমিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে বঙ্গবন্ধু ও বেগম ফজিলাতুননেছা গোল্ড কাপ টুর্নামেন্টের যথাযথভাবে বুঝিয়ে দেন না। এসব ঘটনার প্রতিবাদ করলে শিক্ষকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন ও বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়। যথাযথ তদন্তপূর্বক অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আবদেন জানানো হয়।

ভাদরণ্ড লক্ষিতাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নাজমুল হক ও মাকলাহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, রনজিৎ কুমার উপজেলার রামকুড়া ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা। তিনি ঘুষ ছাড়া কোনো কাজই করেন না। ঘুষ না দিলেই শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার। এমনকি শিক্ষকদের নোংরা ভাষায় গালিগালাজ করেন। সম্প্রতি প্রতিটি বিদ্যালয়ের জন্য প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষা উপকরণ ক্রয়ের জন্য বরাদ্দকৃত ৫ হাজার টাকা কুক্ষিগত করে নিজের ইচ্ছেমতো নি¤œ-মানের মালামাল ক্রয় করে সরবরাহ করেছে। শিক্ষকেরা এ ঘটনার প্রতিবাদ করলে তিনি শিক্ষকদের ভয়-ভীতি প্রদর্শন করেন।

রনজিৎ কুমার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘একটি মহল হয়রানির উদ্দেশ্যে তাঁর বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা অভিযোগ তুলেছে। তবে অভিযোগ যেহেতু হয়েছে, তদন্তেই প্রমাণ হবে আমি দোষী না নির্দোষ।’

নিয়ামতপুর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ধরণের একটি পেয়েছি। তবে আমি প্রশিক্ষণে থাকায় এ বিষয়ে তদন্ত কাজ শুরু করা যায়নি। আগামী ২০ এপ্রিল কর্মস্থলে ফিরেই এ বিষয়ে তদন্ত কাজ শুরু করব। তদন্তে অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্ত শিক্ষা কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।’

ওএফ