ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮, ১ কার্তিক ১৪২৬

চূড়ান্ত লাইসেন্স পেল সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল

http://dainikamadershomoy.com/economy/160264/চূড়ান্ত-লাইসেন্স-পেল-সিরাজগঞ্জ-অর্থনৈতিক-অঞ্চল
BY  নিজস্ব প্রতিবেদক ০৪ অক্টোবর ২০১৮, ১৮:৩৭ | অনলাইন সংস্করণ

দেশের সর্ববৃহৎ বেসরকারি শিল্পনগরী সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রাইভেট লিমিটেড চূড়ান্ত লাইসেন্স পেয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্যোক্তাদের হাতে লাইসেন্স তুলে দেন বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সড়ক, নৌপথ, আকাশপথ ও রেলপথে যোগাযোগের সুযোগ পাবেন এখানকার উদ্যোক্তারা। উত্তরাঞ্চলের মানুষের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার খুলে যাবে। এখান থেকে ভারত, নেপাল, ভূটানের সঙ্গে খুব সহজে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম পরিচালনা করা যাবে। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের আয়তন ১ হাজার ৩৫ একর। এখানে প্রায় ১৫০ কোটি ডলার বিনিয়োগে প্রায় ৫ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। আগামী ২০২৩ সালের মধ্যে অঞ্চল উন্নয়নের কাজ শেষ হবে।

পবন চৌধুরী বলেন, সর্বপ্রথম ও সর্ববৃহৎ বেসরকারি এ অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে অনেক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। এটির চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া হলো। ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানে সৃষ্টিতে সরকারের যে লক্ষ্য তার সফল বাস্তবায়নের একটি সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চল। এখানে বিনিয়োগ হবে ১৫০ কোটি ডলার বা ১২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।

সিরাজগঞ্জ অর্থনৈতিক অঞ্চলের চেয়ারম্যান এ মতিন চৌধুরী বলেন, ‌‘উত্তরাঞ্চলের প্রবেশদ্বার বঙ্গবন্ধুর সেতুর কাছে যমুনা নদীর তীরে এই অঞ্চলটি গড়ে উঠছে। অঞ্চলে ভূমি উন্নয়নের জন্য প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ হয়েছে। খুব শিগগিরই এটির কাজ শুরু হবে। আমাদের মূল্য লক্ষ্য হচ্ছে মানুষের কাছে শিল্প যাবে।’

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বেজার নির্বাহী সদস্য মো. হারুনুর রশিদ, মোহাম্মদ আইয়ুব, সিরাজগঞ্জ অঞ্চলের পরিচালক শেখ মনোয়ার হোসেন, মাহামুদ হাসান খান, আনোয়ার হোসেন, আমিনুল ইসলাম, কামরুজ্জামান ও নজরুল ইসলাম।

১১ শিল্পোদ্যোক্তার সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়ামকে অঞ্চল গড়ে তুলতে গত বছরে জুনে প্রাক-লাইসেন্স দেয় বেজা।

যৌথ উদ্যোক্তারা হলেন- নিট এশিয়া, রাইজিং হোল্ডিংস, এসএম ইন্ডাস্ট্রিয়াল হোল্ডিংস, টেক্স টাউন, এহসানুল হাবীব, চেইঞ্জ বাংলাদেশ, মাহমুদ ফ্যাশন, রাতুল নিটওয়ার্স, মো. কামরুজ্জামান, মানামি ফ্যাশনস ও প্যারাগন ফিড।