ঢাকা, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২০, ২৪ চৈত্র ১৪২৬

‘কিছুটা ভারমুক্ত হলেন পোশাক মালিকরা’

https://www.dhakatimes24.com/2020/03/25/157161/কিছুটা-ভারমুক্ত-হলেন-পোশাক-মালিকরা
BYনিজস্ব প্রতেবদক, ঢাকাটাইমস

ফাইল ছবি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার যে প্রণোদনা প্যাকেজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা করেছেন তাকে স্বাগত জানিয়েছেন তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।

বুধবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এই প্রণোদনা প্যাকেজের ঘোষণা দেন। এর পরপর প্রতিক্রিয়া জানান বিজিএমইএ সভাপতি।

রুবানা হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগে শ্রমিক মজুরি পরিশোধ নিয়ে গার্মেন্টস মালিকরা কিছুটা ভারমুক্ত হলেন।’ তিনি জানান, রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানা মলিকদের প্রতিমাসে শ্রমিকের মজুরি বাবদ চার হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করতে হয়।

এক ভিডিও বার্তায় রুবানা হক বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমরা অপার কৃতজ্ঞতা জানাই। আমাদের পোশাকশিল্পের এই ক্লান্তিলগ্নে যখন আমাদের লক্ষ-লক্ষ শ্রমিক অনেক রকম ঝুঁকির সম্মুখীন হয়েছিলেন , ঠিক সেই সময় তার এই সময়োচিত ঘোষণা এলো। পাঁচ হাজার কোটি টাকার এই প্রণোদনা প্যাকেজ তাদের (শ্রমিকদের) জীবন বাঁচাবে। রক্ষা পাবে আমাদের গোটা শিল্পখাত। তাকে আমরা আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। ’

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ফলে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের শিল্প উৎপাদন ও রপ্তানি বাণিজ্যে আঘাত আসতে পারে। এই আঘাত মোকাবিলায় আমরা কিছু আপৎকালীন ব্যবস্থা নিয়েছি। রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের জন্য আমি পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করছি। এ তহবিলের অর্থ দিয়ে কেবল শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাবে।

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের কারণে সারা বিশ্ব স্থবির হয়ে পড়েছে। প্রাণঘাতী এই ভাইরাসের প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের পোশাক খাতেও। একের পর এক ক্রয়াদেশ বাতিল হওয়ায় এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ পোশাক উৎপাদন ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি রুবানা হক। তিনি ঢাকা টাইমসকে জানান, করোনার কারণে পোশাক খাতে ভয়াবহ বিপর্যয় নেমে এসেছে। বায়ারা সব অর্ডার ক্যানসেল করে দিচ্ছে।

এদিকে বিজিএমইএ পরিচালক ও ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি আসিফ ইব্রাহিম ঢাকা টাইমসকে জানান, বুধবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ৯৩৬টি কারখানার ৮০০ দশমিক ১৮ মিলিয়ন পোশাক পণ্যের অর্ডার বাতিল ও স্থগিত হয়েছে। যার মূল্য ২ দশমিক ৫৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

(ঢাকাটাইমস/২৫মার্চ/জেআর/জেবি)