ঢাকা, শনিবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৭ আশ্বিন ১৪২৬

এপিজি’র কো-চেয়ার হলেন ডেপুটি গভর্নর রাজী হাসান

https://www.jagonews24.com/economy/news/422043
BYনিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৬:১০ পিএম, ১৭ এপ্রিল ২০১৮

বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রধান ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহা. রাজী হাসানকে এশিয়া প্যাসিফিক গ্রুপ অন মানিলন্ডারিং (এপিজি) এর কো-চেয়ার হিসেবে মনোনীত করেছে সরকার।

মঙ্গলবার বিএফআইইউ’র এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার ও উদ্যোগের স্বীকৃতি স্বরূপ সংস্থাটির সদস্যরা সর্বসম্মতভাবে ২০১৮-২০ মেয়াদে অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশকে এপিজি’র কো-চেয়ার হিসেবে দায়িত্ব অর্পণ করে।

এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ৪১টি দেশের সংগঠন এপিজি মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক মান নির্ধারণকারী সংস্থা ফাইন্যান্সিয়াল একশন টাস্কফোর্সের একটি আঞ্চলিক সংস্থা। মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ার সিডনিভিত্তিক এই আঞ্চলিক সংগঠনটিতে সদস্য ছাড়াও ৮টি দেশ ও ২৮টি আন্তর্জাতিক সংস্থা পর্যবেক্ষকের ভূমিকা পালন করছে। বাংলাদেশ এপিজি’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে এর সব বার্ষিক সাধারণ সভায় অংশগ্রহণসহ সংস্থাটির কার্যক্রম পরিচালনা ও বেগবানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ ২০০৩-০৪, ২০০৪-০৫, ২০১০-১১ ও ২০১১-১২ মেয়াদে সংস্থাটির মূলনীতি নির্ধারণী কমিটি, স্ট্রিয়ারিং গ্রুপের সদস্য হিসেবে দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করে। বর্তমানেও বাংলাদেশ এপিজি’র মূলনীতি নির্ধারণী কমিটির কাজ করছে। উল্লেখ্য, বিএফআইইউ বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে এপিজি’র প্রাইমারি কন্ট্যাক্ট পয়েন্ট হিসেবে কাজ করছে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্কিং গ্রুপ ও বিভিন্ন বিশেষজ্ঞ কমিটিতে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করছে; পাশাপাশি আঞ্চলিক পর্যায়ে মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধে বাংলাদেশ ও এর প্রতিবেশী দেশসমূহের মধ্যে সম্পর্ক উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

২০১০ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত এপিজি’র ১৩তম টাইপোলজী কর্মশালা প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করেন। উক্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন। বিএফআইইউ প্রধান হাসান এপিজি’র কো-চেয়ার হিসেবে এর সদস্য ৪১টি দেশের মানিলন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ ব্যবস্থা উন্নয়নে নেতৃত্ব প্রদানের পাশাপাশি সংস্থাটির বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন, বার্ষিক সভার আয়োজনসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

এসআই/জেএইচ/আরআইপি