ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৬

বহির্বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে বাংলাদেশ এগিয়ে যেতে চায়

https://www.jagonews24.com/economy/news/450618
BYনিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৯:২৪ পিএম, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশ প্রতিবেশিসহ বহির্বিশ্বের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে এগিয়ে যেতে চায়।

বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে ন্যাশনাল কনভেনশন সেন্টারে ওয়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের মেম্বার অফ ম্যানেজিং বোর্ডের প্রেসিডেন্ট বরগে ব্রেনডির সঞ্চালনায় জিও স্ট্রাটেজিক ডিসকাশনে বক্তব্য দেয়ার সময় তিনি এ কথা বলেন। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

তোফায়েল বলেন, এলডিসি থেকে পাঁচটি দেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হচ্ছে। এর মধ্যে একমাত্র বাংলাদেশ একত্রে তিনটি শর্ত পূরণ করেছে। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ পরিপূর্ণভাবে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হবে। তখন জিএসপি সুবিধা থাকবে না। তবে ইউরোপিয়ন ইউনিয়ন থেকে জিএসপি প্লাস সুবিধা পাবে। অন্যান্য দেশের সঙ্গে এফটিএ স্বাক্ষর করে বিশ্ব বণিজ্যে এগিয়ে যাবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সব দেশের আন্তরিক সহযোগিতা চায়।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্র দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ এখন অর্থনৈতিক, সামাজিকসহ সব ক্ষেত্রে সফলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। যারা এক সময় বলতো, বাংলাদেশ তলাবিহীন ঝুড়ি এবং বিশ্বে দরিদ্র দেশের রোল মডেল। তারাই আজ বলছে বাংলাদেশ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। গত বছর বাংলাদেশ ৩৬.৬৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে। সেবা খাতসহ মোট রফতানি ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ব্যাংকে রিজার্ভ ৩৩ বিলিয়ন ডলারের বেশি, রেমিট্যান্স ১৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। বাংলাদেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ।

ওয়াল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট রোহিঙ্গাদের বিষয়ে জানতে চাইলে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একান্তই মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছেন। এ জন্য তিনি মাদার অফ হিউমিনিটি খেতাব পেয়েছেন। প্রতিবেশি দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। বিশ্বাবসীর সহযোগিতায় বাংলাদেশ আশা করছে দ্রুত এ সমস্যার সমাধান হবে এবং রোহিঙ্গারা শিগগিরই নিজ দেশে ফিরে যাবে।

এ সময় সম্মেলনে উপস্থিত মিয়ানমারের ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন মিনিস্টার কাইও টিন বাণিজ্যমন্ত্রীর বক্তব্যকে সমর্থন করেন।

আলোচনায় বক্তব্য রাখেন ভিয়েতনামের ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার ফামবিন মিন, মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড মিনিস্টার ইগনেটিয়াস লেইকিং, দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাংকাইয়ুং হুয়া, শ্রীলংকার ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড মিনিস্টার মালিক দেবপ্রিয় সামারাউইকরামা, কম্বোডিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী প্যান সোরাসাক, পাপুয়া নিউ গিনির ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টার চার্লিস আবেল, তিমুর রেস্টিও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দাইয়োনিশিও দা কসটা বাবোসোয়ার্স।

এমইউএইচ/এএইচ/জেআইএম