ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

১০টি পোশাক কারখানার সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে ইউনিসেফ

https://www.jugantor.com/economics/49679/১০টি-পোশাক-কারখানার-সঙ্গে-সম্মিলিতভাবে-কাজ-করছে-ইউনিসেফ
BY  যুগান্তর ডেস্ক    ১৭ মে ২০১৮, ১৩:২১ | অনলাইন সংস্করণ
রপ্তানিমুখী পোশাক কারখানার নারী শ্রমিক ও তাদের শিশু সন্তানদের জন্য অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে ১০টি কারখানার সঙ্গে সম্মিলিতভাবে কাজ করছে ইউনিসেফ।

নির্বাচিত ১০টি পোশাক কারখানায় গত বছর ‘বেটার বিজনেস ফর চিলড্রেন’ শীর্ষক প্রকল্পটি চালু করা হয়।

চুক্তিবদ্ধ কোম্পনিগুলোর মধ্যে রয়েছে ইনডেসোর সোয়েটার লি:, ডিবিএল গ্রুপ, এসকিউ গ্রুপ, আলফা ক্লোথিং, নর্দার্ন তশরিফা লিমিটেড, জেএল ফ্যাশন্স, বিটপী গ্রুপ, এআর জিন্সসহ আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান।

মঙ্গলবার রাজধানীর লেকশোর হোটেলে চুক্তিবদ্ধ কারখানাগুলোতে নারী ও শিশুবান্ধব উদ্যোগের ফলাফল পর্যালোচনা ও নতুন কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চুক্তিবদ্ধ ১০টি কারখানায় ১৯ হাজার ৪৫৬ নারীকর্মী কর্মরত। শিশুদের ওপর বাবা-মায়ের চাকরির প্রভাব কেমন, তা বোঝার ক্ষেত্রে ‘বেটার বিজনেস ফর চিলড্রেন’ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছে।

কারখানায় নারী কর্মীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা, মাতৃত্বকালীন ছুটি, ব্রেস্ট ফিডিং কর্নার চালুসহ অন্যান্য নারীবান্ধব সুযোগ সুবিধা চালু প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য।

ইউনিসেফ বাংলাদেশের ডেপুটি রিপ্রেজেন্টেটিভ সীমা সেন গুপ্ত বলেন, পোশাক কারখানায় অনেক নারী শ্রমিক মাতৃত্বের পর্যায়ে থাকে।

কারখানায় তাদের স্বাস্থ্য, নবাগত শিশুদের স্বাস্থ্য, শিশুদের মাতৃদুগ্ধ পানের নিশ্চয়তার লক্ষ্যে কারখানা কর্তৃপক্ষকে তারা কারিগরি সহায়তা দিচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে কলকারখানা ও শিল্প পরিদর্শন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আনোয়ার উল্লাহ বলেন, “কারখানায় শিশুদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতি রয়েছে।

কর্মজীবী মায়েদের নবাগত শিশুদের জন্য দুগ্ধপানের সুব্যবস্থা করার বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

“কর্মস্থলে মায়েদের জন্য তাদের শিশুদের অন্তত ছয় মাস বয়স পর্যন্ত দুধ পান করানোর ব্যবস্থা করতে হবে। পোশাক কারখানাগুলোতে এক্ষেত্রে ইতিবাচক পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

কারখানাগুলো তাদের দক্ষ জনশক্তিকে ধরে রাখতে ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই কৌশল বেছে নিয়েছে।”

এসকিউ গ্রুপের জনশক্তি কর্মকর্তা ওয়াশির আবিদ বলেন, তাদের কোম্পানির ১৬ হাজার জনশক্তির মধ্যে ৭০ শতাংশই নারী। নারী কর্মীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ তৈরিকে কোম্পানি ব্যবসার অংশ হিসাবেই দেখে।

“একজন নারী কর্মীর পেছনে বিনিয়োগ মানে হচ্ছে ব্যবসার পেছনে বিনিয়োগ। নারী কর্মীরা ব্যবসার প্রক্রিয়ায় ৮০ শতাংশ ভূমিকা পালন করছে।”