ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

কৃষিপণ্য সংরক্ষণের নতুন প্রযুক্তি উদ্বোধন করলেন শিল্পমন্ত্রী

http://news.zoombangla.com/কৃষিপণ্য-সংরক্ষণের-নতুন/
July 12, 2018
নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশে মৌসুমভিত্তিক উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল ও প্রাণিজ খাদ্যচক্রের কাঁচামাল সংরক্ষণের কার্যকর প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্য প্রকৌশল বিভাগের গবেষকরা।

সিরডাপের সঙ্গে যৌথ গবেষণায় ‘মাল্টি কমিডিটি সোলার টানেল ড্রায়ার প্লান্ট’ শীর্ষক এ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করা হয়। গবেষকরা জানায়, এর ফলে বিভিন্ন মৌসুমে দেশে উৎপাদিত ফলমূলসহ কৃষিজাত পণ্য সহজেই দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যাবে।

বৃহস্পতিবার (১২ জুলাই) শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ (এনএফই) আয়োজিত ‘এনএফই ক্যারিয়ার এক্সপো-২০১৮’ এবং ‘মাল্টি কমিডিটি সোলার টানেল ড্রায়ার প্লান্ট’ শীর্ষক এ প্রযুক্তির উদ্বোধন করেন।

সাভারের দত্তপাড়ায় অবস্থিত ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির স্থায়ী ক্যাম্পাসে দু’দিনব্যাপী এ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়।

ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইউসুফ মাহবুবুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে আইসিডিডিআরবি’র সিনিয়র ডিরেক্টর ড. তাহমিদ আহমেদ, বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড অ্যান্ড নিউট্রিশন ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. মোঃ বেলাল হোসেন এতে বক্তব্য রাখেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের ক্রমবর্ধমান জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিকে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে জাতীয় শিল্পনীতি-২০১৬তে কৃষি/খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং কৃষি যন্ত্রপাতি প্রস্তুতকারী শিল্পকে উচ্চ অগ্রাধিকারখাতের আওতাভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যখাতের উন্নয়নে একটি টার্স্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করতে রপ্তানির বিপরীতে ভর্তুকির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে দেশে দ্রুত খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পখাত বিকশিত হচ্ছে।

শিল্পমন্ত্রী জানান, বর্তমানে ১শ’ ৪০টিরও বেশি দেশে বাংলাদেশি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য রপ্তানি হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দীর্ঘ মেয়াদে কৃষিপণ্য সংরক্ষণের প্রযুক্তি মাল্টি-কমিডিটি সোলার টানেল ড্রায়ার প্লান্ট উদ্ভাবনের ফলে পঁচনশীল কৃষিপণ্য সংরক্ষণ সহজ হবে। এর মাধ্যমে কৃষক, ক্রেতা-ভোক্তা, কৃষি শিল্প উদ্যোক্তা, নীতি নির্ধারকসহ সকলেই উপকৃত হবে। এটি দেশিয় খাদ্যশিল্পের আধুনিকায়ন, গুণগতপরিবর্তন ও উৎপাদিত পণ্যে মূল্য সংযোজনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এ উদ্ভাবন তরুণ প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে শিল্প সহায়ক ও পরিবেশবান্ধব নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

77SHARESShareTweet

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ই-মেইল থেকে