ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০১৯, ১১ মাঘ ১৪২৬

অপু-বাপ্পীর গানে কোরিওগ্রাফি করলেন হাবিব

https://www.ntvbd.com/entertainment/233025/অপু-বাপ্পীর-গানে-কোরিওগ্রাফি-করলেন-হাবিব
BYমাজহার বাবু
১২ জানুয়ারি ২০১৯, ১৫:২৪

নরসিংদীর একটি পার্কে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ ছবির গানের দৃশ্যে বাপ্পী-অপু। ছবি: মোহাম্মদ ইব্রাহিম নরসিংদীর একটি শুটিং স্পটে ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ ছবির একটি গানের চিত্রায়ন হলো গতকাল শুক্রবার। সেখানে রোমান্টিক গানে অভিনয় করেন বাপ্পী চৌধুরী ও অপু বিশ্বাস। কোরিওগ্রাফি করেছেন হাবিব। চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করছেন দেবাশীষ বিশ্বাস।

এ বিষয় হাবিব বলেন, ‘আমি এ পর্যন্ত প্রায় ২০০ ছবিসহ হাজার খানেক মিউজিক ভিডিওর কোরিওগ্রাফি করেছি। কিন্তু গতকাল এই কাজটি করার পর মনে হয়েছে এটি আমার করা সেরা গান। লোকেশন, ডিওপি, শিল্পী সব মিলিয়ে আমি যা চেয়েছি, তাই করতে পেরেছি। আমি বিশ্বাস করি গানটি দর্শক পছন্দ করবেন।’

হাবিব আরো বলেন, ‘আমি গানের কোরিওগ্রাফি শুরু করেছিলাম শাকিব খান ও অপু বিশ্বাস অভিনীত ‘চাচ্চু’ চলচ্চিত্রের মধ্যে দিয়ে। তখন যে প্রযুক্ত ছিল, এখন তার চেয়ে অনেক উন্নত প্রযুক্তি এসেছে। গত বছর করেছি শাকিব খানের ‘ক্যাপ্টেন খান’। দিন দিন প্রযুক্তি এগিয়ে যাচ্ছে। আমরা আরো ভালো কাজ করতে পারছি।’

বাংলাদেশের কোরিওগ্রাফি নিয়ে হাবিব বলেন, ‘একটা ভালো কোরিওগ্রাফির জন্য প্রয়োজন ভালো একটা গান। ভালো লোকেশন, ভালো শিল্পী, ডিওপি, এরেঞ্জমেন্ট ও এডিটর। বাইরের দেশ থেকে আপনি যখন কোরিওগ্রাফার নিচ্ছেন তখন তাকে সব দিচ্ছেন। কিন্তু আমাদের সেই সুযোগ দিতে চাইছেন না অনেকেই। তা হলে আমরা কীভাবে ভালো কাজ করব?’

এ বিষয়ে হাবিব আরো বলেন, ‘দেশের বাইরে ভালো লোকেশনে কাজ করার সময় আপনারা বাইরের দেশের কোরিওগ্রাফার নিচ্ছে। আর আমাদের সময় এসে বলছেন, ভাই আমার বাজেট নেই, যা দিলাম তাই দিয়ে একটা কাজ করে দেন। এটা আসলে কীভাবে ভালো হবে? আমি যদিও এরেঞ্জমেন্ট ছাড়া কাজ করি না। আর দুই একজন আছেন যারা হয় তো ভালো কাজ করছেন না। তাদের জন্য তো সবার দুর্নাম হতে পারে না।’

২০১৬ সালে মুক্তি পাওয়া ‘নিয়তি’ ছবির একটি গানের জন্য শ্রেষ্ঠ কোরিওগ্রাফার হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় হাবিবের। দ্বিতীয় অবস্থানে ছিলো ‘অনেক দামে কেনা’ ছবির একটি গান। দ্বিতীয় গানটিরও কোরিওগ্রাফার ছিলেন ছিলেন হাবিব। ‘নিয়তি’ ছবিতে তিনি কাজ করেননি দাবি করে ‘অনেক দামে কেনা’ ছবির জন্য পুরস্কার দাবি করেন। পরে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০১৬ অনুষ্ঠান থেকে কোরিওগ্রাফির জন্য জাতীয় পুরস্কারটি বাদ দেওয়া হয়।