ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৭

অবশেষে মুক্তি পেল রানুর ‘তেরি মেরি কাহানি’

https://www.ntvbd.com/entertainment/272033/অবশেষে-মুক্তি-পেল-রানুর-‘তেরি-মেরি-কাহানি’
BYঅনলাইন ডেস্ক
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:৩০

‘তেরি মেরি কাহানি’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রানু, হিমেশ ও তাঁর স্ত্রী। ছবি : সংগৃহীত অবশেষে মুক্তি পেল রানাঘাটের রানু মণ্ডলের ‘তেরি মেরি কাহানি’ গানটি। মুক্তি পরই অন্তর্জালে ঝড় তুলেছে বহুল প্রতীক্ষিত গানটি।

কলকাতার রানাঘাট রেলস্টেশনের ভবঘুরে গায়িকা থেকে সোজা জাতীয় পর্যায়ের গায়িকা বনে গেছেন রানু মণ্ডল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে ‘ভাইরাল’ রানুকে এখন ভারতবাসী তো বটেই, উপমহাদেশের অসংখ্য মানুষ চেনেন। তাঁকে নিয়ে নেট দুনিয়ায় জল্পনার শেষ নেই।

কিংবদন্তি শিল্পী লতা মঙ্গেশকরের ‘এক পেয়ার কা নাগমা’ গেয়ে অন্তর্জালবাসীকে চমকে দেন রানু মণ্ডল। তাঁর গান শুনে মুগ্ধ হয়ে গায়ক, সংগীত পরিচালক, অভিনেতা হিমেশ রেশমিয়া তাঁকে নিজের সিনেমা ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হীর’ ছবিতে গাওয়ার সুযোগ করে দেন।

ইন্ডিয়া টিভির অনলাইন সংস্করণের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, গানটির টিজার বেরোনোর পর রীতিমতো ঝড় বয়ে যায় অন্তর্জালে। এবার মুক্তি দেওয়া হয়েছে পুরো গানটি। মুক্তির পর মাত্র দুই ঘণ্টায় ইউটিউবে গানটি ভিউ পেয়েছে সাড়ে চার লাখের বেশি।

শুনুন গানটি :
ছবিটির নির্মাতারা নতুন কৌশলের অংশ হিসেবে চাচ্ছেন সবগুলো গান মুক্তি দেওয়ার পরে ট্রেইলার মুক্তি দিতে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হিমেশ জানান, ‘হ্যাপি হার্ডি অ্যান্ড হীর’ দর্শকের কাছ থেকে যে ভালোবাসা পাচ্ছে, তাতে তিনি খুব খুশি। ‘ছবিটি নিয়ে আমি ভীষণ গর্বিত। ছবিটি এ অঙ্গনে একটি নতুন মোড় এনে দেবে। রানুজি খুবই সুন্দরভাবে গান গেয়েছেন এবং আমি আশা করি শ্রোতারা বরাবরের মতোই এটি পছন্দ করবে,’ বলেন হিমেশ।

আলোচিত গানটির টিজার গতকাল মুক্তি পাওয়ার পর অন্তর্জালে এটি অনেকবার দেখা হয়। অল্প সময়ের ব্যবধানে অসংখ্যবার শেয়ার করা হয় টিজারটি।

‘তেরি মেরি কাহানি’ ছাড়াও এরই মধ্যে রানুর আরো দুটি গান ধারণ করা হয়েছে। এর একটির শিরোনাম ‘আদত’, অন্যটি ‘আশিকি ম্যায় তেরি’র নতুন সংস্করণ।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে জানানো হয়, এক সাক্ষাৎকারে হিমেশ রেশমিয়ার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রানু মণ্ডল।

রানু বলেন, ‘এই প্রথমবারের মতো কেউ আমাকে শিক্ষা দিলেন। আমি গাওয়ার কৌশলগুলো জানি না। হিমেশ আমাকে পরিবারের সদস্যের মতোই শিখিয়েছেন। তিনি আমাকে জীবনের সবচেয়ে বড় সুযোগ দিয়েছেন। আমার স্বপ্ন সত্যি করার জন্য স্রষ্টাকে কেবল ধন্যবাদ দেওয়াই যথেষ্ট নয়। আমি ভেঙে যাওয়া একটি পরিবার থেকে এসেছি। জীবনে এত ভালোবাসা দেখিনি, এতটা খুশি আগে হইনি।’