ঢাকা, সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৯ আশ্বিন ১৪২৬

খাবারেই লুকিয়ে আছে হতাশার বীজ

http://bdsaradin.com//খাবারেই-লুকিয়ে-আছে-হতাশা/
BYস্বাস্থ্য | ২০১৮, জুলাই ১২ ০১:৩০ অপরাহ্ণ

মন-মেজাজ নিয়ন্ত্রণে না থাকলে দিনভর অস্বস্তি। ঘন ঘন হতাশ হওয়া যেন কেড়ে নেয় দিনের অনেকটা আনন্দ। যে সব খাবার আপনি প্রতি দিন খান, তার মধ্যেই লুকিয়ে থাকে মনখারাপের বীজ। বরং খাদ্যতালিকা থেকে এসব বাদ দিলেই কাটবে হতাশার মেঘ। দেখে নিন কী কী খাবার অজান্তেই বাড়িয়ে চলেছে আপনার হতাশা।

খাবার কেনার সময় তার উপাদান দেখুন, যদি প্যাকেটের গায়ে বিসফেনল এ (বিপিএ) লেখাটা দেখেন তা হলে সেই খাবার আজই বাদ দিন। বিপিএ আসলে প্লাস্টিকের বস্তু তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। বেশির ভাগ ক্যান বন্দি খাবারেই বিপিএ থাকে। রসায়নবিদদের মতে, বিপিএ মস্তিষ্কের স্নায়ুতে প্রভাব বিস্তার করে তাকে নিস্তেজ করে দিতে পারে। তাই এড়িয়ে চলুন সেসব।

যতটা পারেন এড়িয়ে চলুন চিনি। চিনির অনেক খারাপ প্রভাবের মধ্যে এটিও একটি। চিনিতে থাকা গ্লুকোজ শরীরের গ্লাইকোজেনের মাত্রা বাড়ানোর সঙ্গে বাড়িয়ে দিতে পারে হতাশাও। সাময়িক উত্তেজনা বাড়াতে চিনি অনেক সময় দরকারি হয়ে পড়লেও সেই উত্তেজনার সময় পার হলেই তা পেশীকে ক্লান্ত করে তোলে।

প্রচুর কোল্ড ড্রিঙ্ক খান? এতে থাকা সোডা কিন্তু বিপদে ফেলছে আপনাকে। এমনিতেই ঠাণ্ডা পানীয় শরীরে প্রবেশ করে পানির চাহিদা বাড়িয়ে তোলে, তার সঙ্গে এতে থাকা সরল শর্করা শরীরের মধ্যে পানির অভাব ঘটিয়ে তাকে করে তোলে ক্লান্ত। যার প্রভাব পডে় মনের ওপরও। তাই শুধু ওবেসিটির ভয় থেকেই নয়, হতাশা কাটাতেও দূরে থাকুন এর থেকে।

প্যাকেটবন্দি নোনতা বাদামও এড়িয়ে চলুন। এতে প্রচুর পরিমাণ সোডিয়াম থাকে, যা শরীরের ভেতর ভেঙে মোনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (এমএসজি) তৈরি করে। যা শরীরকে ভারী করার সঙ্গে ক্লান্ত করে, তার হাত ধরেই আসে হাতাশা। তাই বাদাম খেলে চেষ্টা করুন বাড়িতে শুকনো খোলায় ভেজে, নুন ছাড়া খেতে।

প্যাকেটজাত ফলের রস খেয়েই ভাবেন প্রয়োজনীয় ফলের পুষ্টিগুণ শরীরে প্রবেশ করছে? সম্পূর্ণ ভুল ভাবছেন। প্যাকেটে দীর্ঘদিন ফলের রস তাজা রাখতে এতে অতিরিক্ত চিনি তো মেশেই, সঙ্গে মেশানো হয় নানা রাসায়নিক- যারা চর্মরোগের জন্যও দায়ী। এরাই স্নায়ুকে ক্লান্ত করে। তাই ফলের উপকারিতা পেতে আস্থা রাখুন টাটকা ফলে।

Share this: