ঢাকা, সোমবার, ২২ জানুয়ারি ২০১৮, ৯ মাঘ ১৪২৫

জরায়ু ক্যান্সারে মারা যাচ্ছেন সাড়ে ৬ হাজার নারী

http://www.dainikamadershomoy.com/lifestyle/120771/জরায়ু-ক্যান্সারে-মারা-যাচ্ছেন-সাড়ে-৬-হাজার-নারী
BY  নিজস্ব প্রতিবেদক ১৩ জানুয়ারি ২০১৮, ২০:৪০ | অনলাইন সংস্করণ
দেশে প্রতি বছর নতুন করে ১২ হাজারের বেশি নারী জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। এর মধ্যে মারা যান সাড়ে ৬ হাজার নারী। একটু সচেতন হলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। জরায়ুমুখের ক্যান্সার বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে দেশে প্রথমবারের মতো জরায়ু মুখের ক্যান্সার সচেতনতা দিবস পালন করা হয়।

দিবসটির প্রতিপাদ্য করা হয়েছে বাল্যবিবাহকে জোর না’। ক্যান্সারবিরোধী মোর্চা মার্চ ফর মাদার ও আন্তর্জাতিক রোটারি কাবের যৌথ উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়। প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের দ্বিতীয় শনিবার এ দিবসটি পালন করা হবে।

দিসবটি উপলক্ষে শনিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) বটতলায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বিএসএমএমইউ ভিসি অধ্যাপক ডা. কামরুল হাসান খান, রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ডিস্ট্রিক্ট-৩২৮১ এর গভর্নর এফ এইচ আরিফ, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ও ক্যান্সার ইপিডেমিওলজির বিভাগীয় প্রধান ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন।

অনুষ্ঠানে ডা. মো. হাবিবুল্লাহ তালুকদার রাসকিন বলেন, প্রতি বছর দেশে ১২ হাজার নারী নতুন করে জরায়ুমুখের ক্যান্সারে আক্রান্ত হন এবং সাড়ে ৬ হাজার নারী মারা যান। একটু সচেতন হলে, বাল্যবিবাহসহ কিছু ঝুকিপূর্ণ বিষয় ও আচরণ বর্জন করলে ও এইচপিভি ভ্যাক্সিনসহ কিছু ভালো অভ্যাস গ্রহণ করলে এই রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব। লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে নিরাময় সম্ভব। এই জন্য প্রয়োজন ব্যাপক জনসচেতনতা।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে ‘জননীর জন্য পদযাত্রা’ র‌্যালি বের করা হয়। এ সময় জরায়ুমুখের ক্যান্সার নিয়ে লিফলেট বিতরণ করা হবে। দিবসটি উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে জননীর জন্য পদযাত্রাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়।

ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সারের (আইএআরসি) তথ্যঅনুযায়ী, সারা বিশ্বে প্রতিবছর পাঁচ লাখ ২৮ হাজার নারী জরায়ু ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এদের মধ্যে মারা যান দুই লাখ ৬৬ হাজার জন। জরায়ুমুখের ক্যান্সারে নারী মৃত্যুর হারে বাংলাদেশ বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। বাংলাদেশে এই রোগে আক্রান্ত নারীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৫৬ জন। এর মধ্যে মারা যান ৬ হাজার ৫৮২ জন।