ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬

২৫ ভাগ প্রাপ্তবয়স্ক উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে

https://www.dhakatimes24.com/2019/12/03/143573/২৫-ভাগ-প্রাপ্তবয়স্ক-উচ্চ-রক্তচাপে-ভুগছে
BYনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস

দিনে দিনে বাড়ছে উচ্চ রক্তচাপের রোগীর সংখ্যা। যা সময়ের সঙ্গে উদ্বেগও বাড়াচ্ছে। তবে অনেকে এই সমস্যা নিয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলেও নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন না।

গবেষণা বলছে, দেশের ২৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে। যাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ লোকই রক্তচাপ মাপেন না। ফলে এই রোগ দিন দিন দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর স্পেকট্রা কনভেনশন সেন্টারে অসংক্রামক রোগের তিনটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করা হয়। সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) এবং বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্স যৌথভাবে এই গবেষণাপত্র প্রকাশ করে। গবেষণাপত্র তিনটির মধ্যে রয়েছে অসংক্রামক রোগ, মানসিক স্বাস্থ্য এবং প্রতিবন্ধী মানুষের স্বাস্থ্য সেবা।

অসংক্রামক রোগসংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সের অধ্যাপক ডা. মিথিলা ফারুক। তার গবেষণাপত্রে দেখা গেছে, বাংলাদেশের ২৫ দশমিক ২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের উচ্চ রক্তচাপ ভুগছে। যাদের মধ্যে এক-তৃতীয়াংশ রক্তচাপ মাপেন না।

এদিকে এশিয়ার মধ্যে প্রাপ্ত গবেষণায় দেখানো হয়েছে- উচ্চ রক্তচাপ এশিয়া জনগোষ্ঠীর হৃদরোগ ও মূত্রাশয়ের রোগগুলোর অন্যতম প্রধান ঝুঁকি। উচ্চ রক্তচাপের কারণে ৪৫ শতাংশ মৃত্যু হৃদরোগে এবং ৫১ শতাংশ স্ট্রোক হয়ে থাকে, যা কি না বিশ্বের ৯৪ লাখ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী।

গবেষণায় আরও উল্লেখ করা হয়, মাত্র ৫৩ দশমিক ৫ শতাংশ উচ্চ রক্তচাপের রোগী স্বীকৃত অভিজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন এবং ২৬ শতাংশ চিকিৎসাকৃত রোগীরা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ চালিয়ে যান না। ডায়াবেটিস মেলিটাস আরেকটি প্রধান স্বাস্থ্যগত গুরুত্বের বিষয়। বিশ্বে যার ফলে ২০১৭ সালে ৪০ লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

তথ্য আরও বলছে, বাংলাদেশের ৭০ লাখ মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, যার মধ্যে ৫৬ শতাংশ রোগী চিকিৎসা নেয় না।

সেন্টার ফর ইনজুরি প্রিভেনশন অ্যান্ড রিসার্চ বাংলাদেশ (সিআইপিআরবি) নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর এ কে এম ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক এ এইচ এম এনায়েত হোসেন।

অন্য গবেষণাপত্র দুটি উপস্থাপন করেন, সিআইপিআরবি’র পরিচালক (আইডিআরসি-বি) ডা. আমিনুর রহমান ও সিআইপিআরবি’র পরিচালক (পাবলিক হেলথ সার্ভিস) ডা. সাইদুর রহমান মাশরেকী।

(ঢাকাটাইমস/০৩ডিসেম্বর/বিইউ/জেবি)