ঢাকা, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৭

প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে জানাতে হবে পরিবারকে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

https://www.dhakatimes24.com/2020/01/12/148159/প্রজনন-স্বাস্থ্য-সম্পর্কে-জানাতে-হবে-পরিবারকে-স্বাস্থ্যমন্ত্রী
BYনিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকাটাইমস

প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে কিশোর–কিশোরীদের সঠিকভাবে তথ্য জানাতে পরিবার ও শিক্ষকদের আহ্বান জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। বলেছেন, ছেলে-মেয়েদের ঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে। তাদের ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, আর এটা পরিবারের মধ্যমেই গড়ে ওঠে। শিক্ষকদেরও এ বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে।

রবিবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাংলাদেশের কৈশোর স্বাস্থ্য কৌশলপত্র ২০১৭-২০৩০ এর জাতীয় কর্মপরিকল্পনার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ছেলে মেয়েদের ঠিকভাবে পরিচালিত করতে হবে। প্রথমে তাদের মধ্য ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। এরপর সেই অভ্যাসই তাদের পরিচালিত করবে। এটা পরিবার থেকে শুরু হয়। শিক্ষকদের এই বিষয় দেখতে হবে। সমাজকেও শিক্ষা দিতে হবে। বিয়ের আগে তারা কীভাবে জীবনযাপন করবে। বিয়ের সময় তারা পরিবার পরিকল্পনা উপকরণগুলো কীভাবে ব্যবহার করবে। গর্ভকালে কীভাবে তারা জীবনজাপন করবে, কীভাবে তারা দেখাশোনা করবে। প্রসব পরবর্তীকালে কীভাবে জীবনযাপন করবে এ বিষয় তাদেরকে শিক্ষা দিতে হবে, এর বিকল্প নেই। কাজেই ছেলেমেয়েদের সঠিকভাবে শিক্ষা দিতে হবে।

মন্ত্রী বলেন, কিশোর-কিশোরীদের মেন্টাল হেলথের বিষয়ে আমাদের খুব সচেতন থাকতে হবে। মানসিকভাবে তাদেরকে সুস্থ রাখতে হবে। মানসিক অশান্তির কারণে সমাজে অনেক অঘটন ঘটে। অনেকে আত্মহত্যা করে। দেশে মারামারি, ভায়োলেন্স এটাও মানসিক রোগের কারণে হয়ে থাকে।

জাহিদ মালেক বলেন, আমাদের এ বিষয় সামগ্রিকভাবে কাজ করতে হবে। এটা অনেকগুলো মন্ত্রণালয়ের কাজ। মাল্টি সেক্টরাল এপ্রোচ। আমরা স্বাস্থ্যসেবা দিতে পারি, শিক্ষাটা কিন্তু শিক্ষা মন্ত্রণায়ল দেবে। আমাদের ভায়োলেন্স কমাতে হবে। এনার্জি ড্রিং কিশোররা খায়, এটা স্বাস্থ্যের জন্য ভালো না। এটা নিয়ন্ত্রণ আমাদের করতে হবে।

এখনো ৫০ শতাংশের বেশি প্রসব ডেলিভারি ইনস্টিটিউটে হয় না জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ইনস্ট্রিটিউশনালি ডেলিভারির জন্য আমরা অনেক পরিকল্পনা হাতে নিয়েছি, কাজ করছি। আমদের প্রসব ডেলিভারি ইনস্টিটিউটে করাতে হবে। বাড়িতে যেন ডেলিভারি না হয়। এটা নিশ্চিত করতে পারলে মাতৃমৃত্যু হার আরও কমে আসবে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ ম কাজী মহিউল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত মি. হ্যারি ভেরুইজ, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রতিনিধি ড. বার্ধন ঝাং রানা, ইউএনএফপিএ এর প্রতিনিধি ড. আশা টর্কেলসন, ইউনিসেফের উপ প্রতিনিধি ভীরা মনডংকা, লাইন ডিরেক্টর শামসুল ইসলামসহ অন্যান্য প্রতিনিধিরা।

অনুষ্ঠান শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কৈশোরবান্ধর স্বাস্থ্যসেবা বিষয়ে মেলা ঘুরে দেখেন।

(ঢাকাটাইমস/১২জানুয়ারি/জেআর/জেবি)