ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২০, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৬

করোনা থেকে বাঁচতে যা মেনে চলতে বললেন বিশেষজ্ঞরা

https://www.dhakatimes24.com/2020/02/13/152018/করোনা-থেকে-বাঁচতে-যা-মেনে-চলতে-বললেন-বিশেষজ্ঞরা
BYনিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকাটাইমস

বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া প্রাণসংহারি করোনাভাইরাস থেকে বাঁচতে সচেতনতা অবলম্বনের বিকল্প নেই। করোনায় আক্রান্ত হওয়ার প্রধান লক্ষণ হলো হাঁচি, সর্দি-কাশি থেকে নিউমোনিয়া এবং প্রবল জ্বর ও শ্বাস কষ্ট। প্রাথমিকভাবে উপসর্গ বোঝা কঠিন। তাই নিজেকে সাবধান রাখাটাই শ্রেষ্ঠ উপায়। মাস্ক ব্যবহার, সাবান দিয়ে হাত ধোয়া ছাড়াও পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ও মাছ-মাংস ভালোভাবে সেদ্ধ করে খেতে হবে। অসুস্থ পশু-পাখি থেকে দূরে থাকতে হবে।

বৃহস্পতিবার সকালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) করোনাভাইরাস প্রতিরোধে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউ’র উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে কনক কান্তি বড়ুয়া বলেন, করোনাভাইরাস প্রতিরোধে জনসেচতনতা সৃষ্টি ও বৃদ্ধিতে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। হাঁচি-কাশিতে আক্রান্ত রোগী কোথা থেকে এসেছেন, বিদেশে গিয়েছিলেন কিনা তা অবশ্যই জানতে হবে। সর্ব সাধারণকে বাসায় ফিরে সঙ্গে সঙ্গেই সাবান দিয়ে হাত ও মুখ ভালো করে ধুয়ে ফেলতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে বক্ষব্যাধি বিভাগের চেয়ারম্যান এ কে এম মোশাররফ হোসেন বলেন, ২০১৯ সালের ৩১ ডিসেম্বর করোনাভাইরাসের কথা প্রথম জানা যায়। এই পর্যন্ত করোনাভাইরাস ২৮টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ৪৫ হাজার মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন এবং ১৩ শতাধিক মানুষ মারা গেছেন। আক্রান্তদের মধ্যে সাড়ে চার হাজার মানুষ সুস্থ হয়েছেন।

অন্য বক্তারা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে নিজেকে সবসময় পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা, বার বার সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলা এবং প্রয়োজনে হ্যান্ড সেনিটাইজার ব্যবহার করা, হাত দিয়ে নাক বা মুখ ঘষা থেকে বিরত থাকা, আক্রান্ত ব্যক্তি হতে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা, হাঁচি-কাশির সময় টিস্যু ব্যবহার করা এবং ব্যবহারের পরে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়া, অসুস্থ পশু-পাখির সংস্পর্শে না আসা, মাছ, মাংস ভালভাবে রানা করে খাওয়া এ সকল বিষয় মেনে চলার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএসএমএমইউয়ের উপ-উপাচার্য শহীদুল্লাহ সিকদার, উপ-উপাচার্য সাহানা আখতার রহমান, কোষাধ্যক্ষ মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, রেজিস্ট্রার এ বি এম আব্দুল হান্নান, প্রক্টর সৈয়দ মোজাফফর আহমেদ, হাসপাতাল শাখার পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে মাহবুবুল হক, ভাইরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান সাইফ উল্লাহ মুন্সী, পাবলিক হেলথ অ্যান্ড ইনফরমেটিকস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ফারিহা হাসিন সহ বহিবির্ভাগের আবাসিক চিকিৎসক (আরপি), আবাসিক সার্জন (আরএস), চিকিৎসক, ছাত্রছাত্রী, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

ঢাকাটাইমস/১৩ ফেব্রুয়ারি/এএ/ইএস