ঢাকা, শুক্রবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৮, ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

১৬৭৬৭ নম্বরে মিলবে পরিবার পরিকল্পনার সব সেবা

https://www.jagonews24.com/health/news/438808
BYবিশেষ সংবাদদাতা বিশেষ সংবাদদাতা প্রকাশিত: ০৬:৪০ পিএম, ১০ জুলাই ২০১৮

পরিবার পরিকল্পনা, মা ও শিশু স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য, পরামর্শ দেয়ার লক্ষ্যে ২৪ ঘণ্টার কল সেন্টার চালু হচ্ছে। পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের উদ্যোগে চালুকৃত ১৬৭৬৭ নম্বরের কল সেন্টারে মিলবে পরিবার পরিকল্পনার সব সেবা। বুধবার (১১ জুলাই) বিশ্ব জনসংখ্যা দিবসে কল সেন্টারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরিন শারমিন চৌধুরী। মঙ্গলবার (১০ জুলাই) পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের কেন্দ্রীয় কার্য়ালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

এ বছর দিবটির প্রতিপাদ্য-পরিকল্পিত পরিবার, সুরক্ষিত মানবাধিকার।

সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব জি এম সালাউদ্দিন, অতিরিক্ত সচিব সুভাষ চন্দ্র সরকার, পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সারওয়ার ও ইউএনএফপিএ বাংলাদেশস্থ প্রতিনিধি আশা বিট্রে টরকেলসন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর হার, পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণের হার, দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসব হার, গর্ভ, প্রসব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা গ্রহণের হার বেড়েছে।

তিনি বলেন, প্রতিটি দম্পতি ও নাগরিকের প্রয়োজনীয় তথ্য, শিক্ষা ও সেবাগ্রহণের মাধ্যমে স্বাধীনভাবে সন্তান জম্মের ক্ষেত্রে বিরতি নেয়ার অধিকার রয়েছে। পরিকল্পিত পরিবার গঠনের মাধ্যমেই দম্পতিদের এ অধিকার সুরক্ষিত হবে। এ মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে পরিবার পরিকল্পনা সেবা গ্রহীতার হার বৃদ্ধি করতে হবে। ফলে একদিকে দেশের মাতৃ ও শিশুমৃত্যু হার কমবে অন্যদিকে মায়ের স্বাস্থ্যও ভালো থাকবে।

তিনি বলেন, দেশে মাতৃমৃত্যু হার আগের তুলনায় ৫০ ভাগ কমেছে। পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি গ্রহণের হার শতকরা ৬২ ভাগ হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে দক্ষ সেবাদানকারীর মাধ্যমে প্রসবের হার শতকরা ২৩ ভাগ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৪৭ ভাগ ও গর্ভ, প্রসব ও প্রসব-পরবর্তী সেবা গ্রহণের হার শতকরা ১৯ ভাগ থেকে ৪৩ ভাগ হয়েছে।

তবে কিশোরীদের গর্ভধারণ অন্যতম ভাবনার বিষয়। এখনও ১৮ বছর বয়স হওয়ার আগেই শতকরা ৫৯ ভাগ কিশোরীর বিয়ে হয়ে যায়। শতকরা ৩১ শতাংশ অপরিণত বয়সেই প্রথম বা দ্বিতীয়বারের মতো গর্ভবতী হয়। বিবাহিত কিশোরীদের মধ্যে পরিবার পরিকল্পনা পদ্ধতি ব্যবহারের হার এখনও কম। যা শতকরা ৪৭ ভাগ।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. কাজী মোস্তফা সারওয়ার জানান, ২০১৪ সালের বাংলাদেশ ব্যুরো অব স্ট্যাটিকটিকসের তথ্যানুসারে টোটাল ফারটিলিটি রেট (টিএফআর) ২ দশমিক ৩ থাকলেও সম্প্রতি বিবিএসের তথ্যানুসারে তা ২ দশমিক ১ ভাগে নেমে এসেছে। কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন সেবা প্রদানে দীর্ঘমেয়াদি কর্মসূচি নেয়া হয়েছে।

এমইউ/এএইচ/পিআর