ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৬
BY  যুগান্তর ডেস্ক    ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ
বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রাকৃতিক কারণেই ত্বকে ভাঁজ পড়তে শুরু করে। পরিবেশের প্রভাব, সূর্যালোকের সংস্পর্শ ও ধূমপানের ধোঁয়া এটি আরও বাড়িয়ে দেয়। ত্বককে টান টান করে ধরে রাখতে সহায়তা করে কোলাজেন নামক প্রোটিন, যা বয়স বাড়তে থাকলে তা ধীরে ধীরে ক্ষয় হতে থাকে। এর ফলে ত্বক পাতলা ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।

চামড়ার যে স্থিতিস্থাপকতা সেটি আসে ইলাস্টিন থেকে এবং এটি আর্দ্রতা ধরে রাখতে সহায়তা করে। বয়স বাড়ার প্রতিক্রিয়ায় উভয় উপাদানই ক্ষয় হয় বা পরিমাণে হ্রাস পায়। ফলে ত্বকে শুষ্ক ভাব ও ভাঁজ হয়, যাকে সাধারণভাবে বলিরেখা বলে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের কল্যাণে এসব পরিবর্তনের সমাধান আছে। তবে নিমিষে এসব পরিবর্তন ঘটে না। পরিবেশের ক্ষতিকর প্রভাবে ত্বকের কোনো কোনো অংশ পুরু হয়ে যেতে পারে বা কোনো জটিল অসুস্থতা হতে পারে।

চিকিৎসা : ত্বকের বলিরেখা দূর ও মসৃণ রাখার জন্য বিভিন্ন ধরনের ক্রিম, লোশন, ময়েশ্চারাইজার এবং মুখে খাওয়ার ওষুধ ব্যবহার করা হয়। এ সবের মধ্যে আছে জিঙ্ক বা টাইটেনিয়াস সংবলিত ক্রিম বা তেল। বাজারে বয়স ঢেকে রাখার জন্য কিছু ক্রিম বা তেল আছে যাকে রাসায়নিক বিষ বললে অত্যুক্তি হবে না। এ ছাড়া মাইক্রোডার্মাব্রেশান, কেমিক্যাল পিলিং নামক প্রসিডিওরও করা হয়। এসব পদ্ধতি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত। নিয়মিত ব্যায়াম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণও এ সমস্যা থেকে রোগীকে দূরে রাখে।

ডা. দিদারুল আহসান

ত্বক ও যৌনব্যাধি বিশেষজ্ঞ

আল-রাজী হাসপাতাল, ফার্মগেট, ঢাকা।

মোবাইল : ০১৭১৫৬১৬২০০