ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮, ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
BYফিচার ডেস্ক
১৬ এপ্রিল ২০১৮, ১৫:২৭

এ ছাড়া খাবার খেতে হবে ঘুমানোর তিন-চার ঘণ্টা আগেই। খাবার খেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ঘুমাতে গেলে ইসোফেজাল রিফ্লাক্স হয়। এসিডিটির কারণেও স্বরভঙ্গ হয়। ছবি : সংগৃহীত সুন্দর একটি কণ্ঠ যে কারোই মন ভরিয়ে দিতে পারে। কণ্ঠকে সুন্দর রাখতে হলে কিন্তু এর যত্নের প্রয়োজন। কণ্ঠের যত্নের বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩০৫৯তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. মনজুরুল আলম।

বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইএনটি ও হেড-নেক সার্জারি বিভাগের ইউনিট প্রধান ও অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। প্রশ্ন : কণ্ঠের যত্ন বলতে কী বোঝানো হয়? যখন স্বর ভেঙে যাচ্ছে, কষ্ট হচ্ছে কথা বলতে তখনই কি শুধু যত্ন নিতে হবে? নাকি সারা বছরই যত্ন নিতে হবে? উত্তর : কেবল ১৬ এপ্রিল নয়, বছরের প্রতিদিনই স্বরের যত্ন নেওয়া উচিত। ঠান্ডা, অ্যালার্জিক খাবার একেবারেই এড়িয়ে যাওয়া উচিত। প্রতিদিন ছয় থেকে সাত গ্লাস পানি পান করা উচিত। কথা বলার মাঝখানে আমাদের বিরতি দিয়ে কথা বলতে হবে। প্রয়োজন হলে একটু পানি পান করা যেতে হবে। এ ছাড়া উচ্চ স্বরে কথা বলা, এমনকি ফিসফিস করে কথা বলাতেও স্বরের প্রতিক্রিয়া হয়। তার মানে একটি আদর্শ বজায় রেখে কথা বলতে হবে। আর দেখা গেছে অনেকে স্কেল মেনে চলে না। যেমন গান শেখানোর সময় স্কেল মেনে চলা হয়, অন্যন্য জায়গায় দেখা গেছে স্কেল মেনে না চলে কথা বলা হয়।