ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮, ৫ ভাদ্র ১৪২৬
BYফিচার ডেস্ক
১৫ জুলাই ২০১৮, ১৬:০৪

বিভিন্ন জীবাণুর সংক্রমণ হয়ে ডায়রিয়া হয়। এর মধ্যে রয়েছে, রোটা ভাইরাস, সিগেলা,ক্যাম্পালোব্যাক্টার,হিস্টোলাইটিকা ইত্যাদি। ডায়রিয়া হলে করণীয় বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩১৪১তম পর্বে কথা বলেছেন ডা.সাইদুর রহমান। বর্তমানে তিনি বিআরবি হাসপাতালের শিশু বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : রোটা ভাইরাস থেকে যে ডায়রিয়া হয়, এর জন্য কী করণীয় বলে আপনি মনে করেন?উত্তর :এই জন্য বাসায় সবসময় ওরস্যালাইন এন, খাবার স্যালাইন রাখা উচিত। যেই বাসায় শিশু রয়েছে, এমনকি বড়দের ক্ষেত্রেও বাসায় সবসময় ওরস্যালাইন মজুদ রাখা উচিত। রাত দুটোর সময় কারো যদি ডায়রিয়া শুরু হয়,তাহলে ওরস্যালাইন লাগবে। এখন ওই সময় গিয়ে হয়তো আর পাচ্ছে না। তাই সবসময়ের জন্য বাসায় এগুলো মজুদ থাকা দরকার। খাবার স্যালাইন, চালবাটা স্যালাইন ঘরে রাখতে হবে। তাই যখনই এরকম শুরু হবে,যেই পরিমাণ পাতলা পায়খানা হচ্ছে, সেই পরিমাণে খাবার স্যালাইন যদি খাওয়ানো হয়, তাহলে আর কোনো সমস্যা নেই।

অনেক সময় অনেক শিশু খাবার স্যালাইনটা খেতে চায় না। তখন এমনকি সাদা পানিও খাওয়ানো যাবে।

প্রশ্ন : এতে কি তার লবণের ঘাটতি দূর হবে?
উত্তর : না। সাথে সাথে অন্যান্য খাবারও দিতে হবে। যদি ছয় মাসের নিচের শিশু হয়ে থাকে, তাহলে মায়ের বুকের দুধও ঘন ঘন দিতে হবে। এর মধ্যে ইলেকট্রোলাইটস ও সবকিছুই রয়েছে।

অনেক সময় মায়ের বুকের দুধ বন্ধ করে দেয়া হয়। এটা মোটেও ঠিক নয়। মায়ের বুকের দুধ চলতেই থাকবে। আর ছয় মাসের ওপর যেসব বাচ্চা, তাদের যে স্বাভাবিক খাবারগুলো চলছিল, সেসব খাবার চলতে থাকবে। যদি কোনো খাবার খেয়ে শিশু বমি করে, তাহলে ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে আবার ওই খাবারটা তৈরি করা যায়।