ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮, ৫ ভাদ্র ১৪২৬
BYফিচার ডেস্ক
১০ আগস্ট ২০১৮, ১১:৫০

ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ ইত্যাদি থাকলে গর্ভাবস্থাকে ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩১৬৭তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. বর্ণালী দাশ।

বর্ণালী দাশ বর্তমানে শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেলের গাইনি বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা বা হাই রিস্ক প্রেগন্যান্সি বলতে কী বোঝায়?উত্তর : স্বাভাবিক গর্ভাবস্থার সঙ্গে কিছু ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় যদি থাকে, সে ক্ষেত্রে এটি ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার আওতায় পড়ে যাবে। গর্ভাবস্থার সঙ্গে রক্তপাত থাকল, উচ্চ রক্তচাপ থাকল, ডায়াবেটিস থাকল, অথবা পুরোনো কোনো সার্জিক্যাল ইতিহাস থাকল, দুটি সিজার, তিনটি সিজার এ রকম যদি বিষয়গুলো থাকে, সেটা ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার মধ্যে পড়ে যায়।প্রশ্ন : কারণ কী রয়েছে এর পেছনে?
উত্তর : প্রথমে হয়তো প্রেশার থাকল, সে একে এড়িয়ে গেল, এরপর আস্তে আস্তে একলামসিয়া, প্রি-একলামসিয়ার দিকে চলে গেল। ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা তো অনেক বড় একটি হেডিং। অনেক কিছু এর ভেতর চলে আসে। যেকোনো সময় যেকোনো ঝুঁকির মধ্যে পড়তে পারে। সম্পূর্ণ গর্ভাবস্থাই তো আসলে নাজুর অবস্থা। আমরা জানি, সম্পূর্ণ শরীরের প্রায় সবকিছুই পরিবর্তন হয়। সে ক্ষেত্রে কারণ সেখানে চিহ্নিত করা যায় না। তবে যাতে না হয়, প্রতিরোধের দিকেই খেয়াল রাখব।প্রশ্ন : একজন মা যে ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার মধ্যে রয়েছেন, সেটি কখন ধরা পড়ে?উত্তর : অ্যান্টিনেটাল চেকআপ অনেক বড় একটি সাহায্য দেয় আমাদের। অ্যান্টিনেটাল চেকআপে যখন এলো, তখন আমরা পারিবারিক ইতিহাসগুলো জানতে পারলাম। পরিবারে কারো উচ্চ রক্তচাপ ছিল কি না, ডায়াবেটিস ছিল কি না সেগুলো জানা হয়। সেখান থেকে আমরা একটি ধারণা করতে পারি। এ ছাড়া রোগী নিজেই একটি ইতিহাস দেয়। আমার রক্তপাত হচ্ছে বা অন্যান্য সমস্যা হচ্ছে। সমস্যা যদি আগে নির্ণয় করা যায়, তাহলে চিকিৎসা সহজ হয়।