ঢাকা, শুক্রবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৮, ৩০ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
BYফিচার ডেস্ক
১১ অক্টোবর ২০১৮, ১৩:২৬

শিশুদের খিঁচুনির বিষয়ে কথা বলছেন ডা. সাইদুর রহমান। ছবি : এনটিভি অনেক শিশুই খিঁচুনির সমস্যায় ভোগে। এটি কখন হয় এবং এর কারণ কী, এ বিষয়ে এনটিভির নিয়মিত আয়োজন স্বাস্থ্য প্রতিদিন অনুষ্ঠানের ৩২২২তম পর্বে কথা বলেছেন ডা. সাইদুর রহমান।

ডা. সাইদুর রহমান বর্তমানে বিআরবি হাসপাতালের শিশু বিভাগের পরামর্শক হিসেবে কর্মরত।

প্রশ্ন : শিশুদের ক্ষেত্রে খিঁচুনি কীভাবে আসে?

উত্তর : শিশুদের ক্ষেত্রে সাধারণত দুই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়। একটি খিঁচুনি হয় জ্বরসহ। আরেকটি জ্বর ছাড়াও হতে পারে।

কনভালশনের বাংলা হলো খিঁচুনি। এটি দেখতে বেশ ভয়ংকর। যখন এই খিঁচুনিটা ওঠে একে আমরা জেনারালাইজড কনভালশন বলি। পুরো শরীর নিয়ে যখন খিঁচুনি উঠে যায়, চোখ উল্টে যায়, মুখ দিয়ে ফেনা বের হয়, দাঁত, মুখ খিঁচতে থাকে, হাত-পা ঝাঁকুনি হতে থাকে, শক্ত হয়ে থাকে প্রথমে, পরে ঝাঁকুনি, খিঁচুনি হতে থাকে, এটি দেখলে মা-বাবারা অত্যন্ত আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তখন চিকিৎসকের কাছে যান, হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াটাই উচিত। কী কারণে খিঁচুনি হচ্ছে, সেটি বের করা অত্যন্ত দরকার।

প্রশ্ন : কী কারণে হয়, সেটি বোঝার কি কোনো উপায় রয়েছে?

উত্তর : অনেকে শিশুর ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত ১০০ ডিগ্রি ফারেনহাইটের বেশি জ্বর হলে খিঁচুনি হওয়ার একটি আশঙ্কা থাকে। কিছু কিছু শিশুর প্রবণতাই থাকে জ্বর হলে খিঁচুনি হওয়ার। জ্বরটা যখন বাড়তে থাকে, তখনই সাধারণত এই খিঁচুনিটা শুরু হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দেখা যায় দেড় বছরের আশপাশে হয়।

প্রশ্ন : খিঁচুনির কারণ কী?

উত্তর : আসলে এর কারণ জানা যায়নি। তাদের একটি প্রবণতা থাকে খিঁচুনি হওয়ার। তাদের মা-বাবার হয়তো এ রকম ছোটবেলায় খিঁচুনি হয়েছে, এ রকম হতে পারে। অথবা অন্য ভাইবোনদের হয়েছে, এ রকমও হতে পারে।