ঢাকা, সোমবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৮ আশ্বিন ১৪২৭
BYফিচার ডেস্ক
১১ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১১:০০

অতিরিক্ত লবণ খাওয়া কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। ছবি : সংগৃহীত অতিরিক্ত কোনো কিছুই ভালো নয়। আর এটি লবণ খাওয়ার বেলাতেও সত্য।

প্রতিদিন শরীরে সামান্যই লবণ দরকার সোডিয়ামের জন্য। সোডিয়াম শরীরের কিছু নির্দিষ্ট ভূমিকা পালন করে। তবে অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ দেহের জন্য ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন পাঁচ গ্রাম লবণ খাওয়াই যথেষ্ট। আর এক চা চামচেই থাকে প্রায় ছয় গ্রাম লবণ। প্রতিদিন পাঁচ গ্রামের বেশি খাওয়া শরীরের জন্য মোটেই সুখকর নয়। লবণ খাওয়ার ক্ষতিকর দিকগুলো জানিয়েছে স্বাস্থ্য বিষয়ক ওয়েবসাইট টপ টেন হোম রেমেডি।

১. কিডনির ক্ষতি

শরীরে তরলের ভারসাম্য ঠিকঠাক রাখতে সামান্য পরিমাণ সোডিয়াম গ্রহণই যথেষ্ট। তবে বাড়তি সোডিয়াম কিডনিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কিডনির ওপর চাপ বাড়িয়ে দেয় এবং কিডনির কার্যক্রম নষ্ট করে।

২. রক্তচাপ বাড়ায়

হৃদরোগ বা কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজের অন্যতম কারণ উচ্চ রক্তচাপ। আর উচ্চ রক্তচাপের অন্যতম কারণ অতিরিক্ত লবণ খাওয়া।

অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ রক্তনালিকে সংকুচিত করে দেয় এবং রক্ত প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। এতে রক্তচাপ বাড়ে।

৩. পাকস্থলীর ক্যানসার

বেশি পরিমাণে লবণ খাওয়া পাকস্থলীর ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ায়। এমনকি ওয়ার্ল্ড ক্যানসার রিসার্চ ফান্ড অ্যান্ড আমেরিকান ইন্সটিটিউট ফর ক্যানসার রিসার্চ নিশ্চিত করেছে যে অতিরিক্ত লবণাক্ত খাবার পাকস্থলীর ক্যানসার তৈরি করতে পারে।

খাবারে বেশি পরিমাণ লবণ থাকলে এটি পাকস্থলীর ব্যকটেরিয়া হেলিকোব্যাকটার পাইলোরিকে প্রভাবিত করে। এমনকি ক্যানসারের চিকিৎসার উন্নতিকেও ধীর গতির করে দিতে পারে বেশি লবণ গ্রহণ।

৪. দুর্বল হাড়

অতিরিক্ত লবণ খাওয়া হাড়কে দুর্বল করে দেয়। বেশি লবণ খেলে হাড় থেকে ক্যালসিয়াম কমে যায়। শক্তিশালী হাড়ের জন্য ক্যালসিয়াম খুব জরুরি। ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় দ্রুত ভঙ্গুর হয়ে পড়ে এবং এতে অস্টিওপরোসিস রোগের ঝুঁকি বাড়ে।

এ ছাড়া অতিরিক্ত লবণ খাওয়া শরীরের পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়; স্থূলতা ও অ্যাজমার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই লবণ কম খাওয়ার পরামর্শই দেন চিকিৎসাবিদরা।