ঢাকা, রবিবার, ১৯ আগস্ট ২০১৮, ৪ ভাদ্র ১৪২৬

আরও ২ হাজার ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র দরকার

http://dainikamadershomoy.com/bangladesh/125612/আরোও-২-হাজার-ঘূর্ণিঝড়-আশ্রয়কেন্দ্র-দরকার
BY  নিজস্ব প্রতিবেদক ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২২:৪৬ | আপডেট : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০১:০৮ | অনলাইন সংস্করণ

রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজার জেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কারে বিশেষ বরাদ্দ দেয়ার কথা বিবেচনা করছে সরকার। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া এ তথ্য জানান।

সংরক্ষিত আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য বেগম খোরশেদ আরা হকের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রীর দেয়া তথ্য সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা অধ্যুষিত কক্সবাজার জেলায় গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার (কাবিটা) কর্মসূচির আওতায় উন্নয়ন খাতে চলতি অর্থবছরে ৩৩৪ কোটি ২৪ লাখ ৫২ হাজার টাকা বরাদ্দ রয়েছে।

মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী বলেন, ‘এছাড়া স্থানীয় সংসদ সদস্যের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিশেষ বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি বিবেচনা করা হচ্ছে।’ এদিকে বর্তমানে দেশে ২ হাজার ৪৮৭টি সাইক্লোন সেন্টার রয়েছে জানিয়ে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী বলেন, ‘আরো ২ হাজার ৯৭টি বহুমুখী ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা প্রয়োজন।’

সংরক্ষিত মহিলা আসনের সরকার দলীয় সংসদ সদস্য বেগম সানজিদা খানমের এ সংক্রান্ত প্রশ্নের মায়া আরো জানান, তার মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে নতুন ৭৫২টি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ করা হচ্ছে।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য মো. আব্দুল মতিনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, হাওড় ও পাহাড়ী জেলাগুলোর দুর্যোগাবস্থা বিবেচনা করে সেসব জেলাকে বিশেষ প্রাধান্য দিয়ে জিআর (চাল ও নগদ অর্থ) বিতরণ করছে সরকার। এছাড়া কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও টিআর (টেস্ট রিলিফ) কার্যক্রমেও ওই জেলাগুলো অগ্রাধিকার পাচ্ছে।

সরকার দলীয় মো. আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, সারা দেশের গ্রামীণ রাস্তায় ২০১৫ সাল থেকে এখন পর্যন্ত ৮ হাজার ২১০টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হয়েছে। আগামী বছরের জুনের মধ্যে আরো ৪ হাজার ৮৩টি সেতু ও কালভার্ট নির্মাণ করা হবে।