ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৬

ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের ৫ কর্মকর্তার ৬৮ বছরের কারাদণ্ড

http://dainikamadershomoy.com/bangladesh/134303/ওরিয়েন্টাল-ব্যাংকের-৫-কর্মকর্তার-৬৮-বছরের-কারাদণ্ড
BY  আদালত প্রতিবেদক ১৭ এপ্রিল ২০১৮, ১৯:০৩ | অনলাইন সংস্করণ

প্রতীকী ছবি দুর্নীতির পৃথক চারটি মামলায় ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের সাবেক পাঁচ কর্মকর্তার ১৭ বছর করে ৬৮ বছরের কারাদণ্ডের রায় দিয়েছেন আদালত। চারটির মধ্যে একটি করে মামলায় অপর দুই আসামির ১৭ বছর করে কারাদণ্ডের রায়ও দেওয়া হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঋণ জালিয়াতির চার মামলায় ঢাকার ৫ নম্বর বিশেষ জজ ড. আখতারুজ্জামান এ রায় ঘোষণা করেন।

রায়ে আসামিদের চার কোটি দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এর মধ্যে চার কোটি টাকা আদায়পূর্বক রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া রায়ে ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমামুল হকের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

৬৮ বছর করে কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন, ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের প্রধান শাখার সাবেক সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহ মো. হারুন, সাবেক সিনিয়র অ্যাসিস্টেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট আবুল কাশেম মাহামুদ উল্লাহ, সাবেক সিনিয়র অ্যাক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট মাহমুদ হোসেন, সাবেক ইভিপি মো. কামরুল ইসলাম এবং ইভিপি মো. ফজলুর রহমান।

১৭ বছর করে কারাদণ্ডিত দুই আসামি হলেন, মেসাস নুর অ্যান্ড সন্সের মালিক তরিকুল ইসলাম ও মেসাস আফাজ উদ্দিন ট্রেডার্সের মালিক মো. সালাহ উদ্দিন।

৬৮ বছর করে কারাদণ্ডিত আসামিদের প্রত্যেক মামলায় দণ্ডবিধির একটি ধারায় ১০ বছর করে এবং অন্য ধারায় সাত করে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

দণ্ডিত আসামিরা সবাই পলাতক থাকায় রায় ঘোষণার পর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত।

চার মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা পরষ্পর যোগসাজসে মেসাস আফাজ উদ্দিন ট্রেডাসের মালিক মো. সালাহ উদ্দিন, মেসাস ইভানটেলের মালিক মোশারফ হোসেন সবুজ, মেসাস নুর অ্যান্ড সন্সের মালিক মো. নুর আহমেদ এবং মেসার্স আনোয়ারা ইলেকট্রনিক নামীয় অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠানের নামে এক কোটি টাকা করে ঋণ প্রদান করে আত্মসাৎ করেন। ওই অভিযোগে ২০০৬ সালের ২৯ ডিসেম্বর দুদকের সহকারী পরিচালক আবদুল লতিফ মতিঝিল থানায় মামলাগুলো দায়ের করেন।

মামলাগুলো তদন্তের পর ২০১২ সালের ডিসেম্বরে এবং ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে দুদকের উপপরিচালক মো. রফিকুজ্জামান আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলাগুলোয় ২০১৩ সালের ১৮ ডিসেন্বর আদালত অভিযোগগঠন করেন।