ঢাকা, শুক্রবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৮, ৪ কার্তিক ১৪২৬
BYচাঁদপুর প্রতিনিধি, ঢাকাটাইমস

সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের প্রায় ৪০টি গ্রামে শুক্রবার ঈদুর ফিতর পালিত হবে বলে জানিয়েছেন সাদ্রা দরবার কর্তৃপক্ষ।

চাঁদপুরে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে প্রায় এক শতাব্দী ধরে চাঁদপুরে ৪০টি গ্রামের মুসলমানরা ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো পালন করে আসছেন।

হাজীগঞ্জ উপজেলার বড়কুল পশ্চিম ইউনিয়নের সাদ্রা হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ আবু ইছহাক ১৯২৮ সাল থেকে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে সব ধর্মীয় রীতিনীতি প্রচলন শুরু করেন। ইছহাকের মৃত্যুর পর তার ছয় ছেলে এ মতবাদের প্রচার চালিয়ে আসছেন।

জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিণ ও কচুয়া উপজেলার ৪০টি গ্রামে প্রায় ৮৭ বছর ধরে এভাবে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপিত হয়ে আসছে।

ইছহাকের বড় ছেলে ও সাদ্রা গ্রামের গদিনসীন পীর আবু যোফার আবদুল হাই বলেন, শুক্রবার সকালে সাদ্রা হামিদিয়া দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজ পড়া হবে।

যেসব গ্রামে ঈদ হবে, সেগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, বেলচো, জাঁকনি, প্রতাপপুর, গোবিন্দপুর, দক্ষিণ বলাখাল। ফরিদগঞ্জ উপজেলার-সেনাগাঁও, বাসারা উভারামপুর, উটতলী, মুন্সিরহাট, মূলপাড়া, বদরপুর, পাইকপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, কাইতাড়া, নুরপুর, শাচনমেঘ, ষোলা, হাঁসা, চরদুখিয়া এবং মতলব দক্ষিণ উপজেলার দশআনী, মোহনপুর, পাঁচআনী ও কচুয়া উপজেলার উজানি গ্রাম।

সাদ্রা ছাড়াও জেলার ৪০টি গ্রামের একাংশ (ওই পীরের অনুসারীরা) একদিন আগে ঈদসহ অন্যান্য ধর্মীয় অনুষ্ঠান উদযাপন করেন থাকেন। এছাড়া চাঁদপুরের পার্শ্ববর্তী নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ভোলা, বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও চট্টগ্রাম জেলার কয়েকটি স্থানে মাও. ইছহাক খানের অনুসারীরা একদিন আগে ঈদ উদযাপন করেন।

(ঢাকাটাইমস/১৪জুন/প্রতিনিধি/এলএ)