ঢাকা, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮, ৩০ আশ্বিন ১৪২৬

সিনহা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন: এটর্নি জেনারেল

http://www.ittefaq.com.bd/court/2018/09/25/172298.html
BYঅনলাইন ডেস্ক
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ইং ১৯:১০ মিঃ

সাবেক প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার (এস কে) সিনহা বিদেশে বসে যে বই লিখেছেন, তাতে দেশের বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আজ মঙ্গলবার তার কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেন। দুর্নীতিসহ ১১টি অভিযোগ মাথায় নিয়ে বিদেশে থাকা সাবেক প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সদ্য একটি বই প্রকাশিত হয়। ওই বইয়ের আলোকে বিচারপতি এস কে সিনহার বিভিন্ন বক্তব্য গণমাধ্যমেও প্রকাশ পায়। এ বইয়ের বিষয়ে এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম বলেন, বিচারপতি সিনহা যা করছেন, এটা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নিজেই নষ্ট করছেন। তিনি বলেন, বিচারপতি এস কে সিনহা প্রধান বিচারপতি থাকার সময় তার সঙ্গে যারা বিচারকার্য পরিচালনা করেছেন তাদের সম্পর্কে কোনরকম কূট মন্তব্য করা বা নানা রকম বাজে কথা বলা খুবই অগ্রহণযোগ্য এবং এই কাজটা করে তিনি বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করছেন। মাহবুবে আলম বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে অনেক বিচারপতি কাজ করে গেছেন। তাদের কেউ তো সরকারের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করেননি! তিনি (বিচারপতি এস কে সিনহা) তো স্পষ্ট করেননি, কেন তার সঙ্গে তার সহকারী বিচারপতিরা একসঙ্গে বসতে (আপিল বেঞ্চে) চাননি। মাহবুবে আলম বলেন, আপিল বিভাগের অন্য বিচারপতিরা সে সময় প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার সঙ্গে কেন বসতে চাননি- তা প্রকাশ পেলে আরও দুর্গন্ধ ছড়াবে। তাতে বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি আরও নষ্ট হবে। বিচারপতি এস কে সিনহার প্রকাশিত বইয়ে আদালত অবমাননার মত কোনো উপাদান আছে কিনা এ বিষয়ে এটর্নি জেনারেল বলেন, বইটিতে যদি কোন বর্তমান বিচারপতি সম্পর্কে কোন কথা বলা হয়ে থাকে এবং তারা (বিচারপতিরা) যদি মনে করেন তবে এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। মাহবুবে আলম বলেন, “সবচেয়ে বড় কথা হল, বিচারপতি সিনহা যা করছেন এটা বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি উনি নিজেই নষ্ট করছেন।” বিদেশে বসে ‘এ ব্রোকেন ড্রিম: রুল অব ল, হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড ডেমোক্রেসি’ শিরোনামে আত্মজীবনীমূলক বই লিখেছেন বিচারপতি এস কে সিনহা। তার বই পাওয়া যাচ্ছে বেচাকেনার অনলাইন প্লাটফর্ম আমাজনে। ২০১৭ সালের ১৪ অক্টোবর দেশ ছেড়ে যাওয়া সাবেক এই প্রধান বিচারপতি বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। ইত্তেফাক/এমআই