ঢাকা, সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৭

পেশাদারিত্বের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত নারী পুলিশ

https://www.jagonews24.com/national/news/538609
BYনিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০২:৩৮ এএম, ১০ নভেম্বর ২০১৯

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেছেন, নারী পুলিশ সদস্যরা দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সাথে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন। বিশেষ করে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের সুরক্ষায় অনবদ্য ভূমিকা রাখছেন তারা। তাদের পেশাগত দক্ষতা ও যোগ্যতা নারীর ক্ষমতায়নের ক্ষেত্রে যোগ করেছে এক নতুন মাত্রা।

শনিবার (৯ নভেম্বর) রাতে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশের ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স সেন্টারে ‘উইমেন লিডারশিপ ইনস্টিটিউট ট্রেনিং’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রশিক্ষণ কোর্সটিকে সময়োপযোগী ও কার্যকর উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এ প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান এবং অভিজ্ঞতা নিজ নিজ দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি নেতৃত্ব দানেও দক্ষ করে তুলবে। তিনি প্রশিক্ষণে অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগানোর জন্য প্রশিক্ষণার্থী নারী পুলিশ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান। বাংলাদেশে এ ধরনের প্রশিক্ষণ আয়োজনের জন্য ঢাকার মার্কিন দূতাবাস এবং যুক্তরাষ্ট্র সরকারকে ধন্যবাদ জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

পুলিশ স্টাফ কলেজের রেক্টর শেখ মুহম্মদ মারুফ হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসে ডেপুটি চিফ অফ মিশন (ডিসিএম) জো আনে ওয়াগনার উপস্থিত ছিলেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে আইজিপি বলেন, বঙ্গবন্ধুর নির্দেশে ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে মাত্র ১৪ জন নারীর অন্তর্ভুক্তি ঘটে। বাংলাদেশ পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটে নারী পুলিশ সদস্যরা অপরাধ দমন, অপরাধ উদঘাটন এবং তদন্তের মত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করছেন। ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায়ও নারী পুলিশ সদস্যরা ইতোমধ্যে দক্ষতা ও যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখেছেন।

জাবেদ পাটোয়ারী বলেন, শুধু দেশেই নয়, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনেও বাংলাদেশের নারী পুলিশ সদস্যদের নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্ব বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়েছে।

জো আনে ওয়াগনার বাংলাদেশে নারী পুলিশের প্রশংসা করে বলেন, তারা ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারে নির্যাতিত নারীর সুরক্ষা এবং আইনগত সহায়তা প্রদানে বিশেষ ভূমিকা রাখছেন।

মারুফ হাসান বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র পুলিশ স্টাফ কলেজ হিসেবে পুলিশ স্টাফ কলেজ বাংলাদেশ পেশাদার ও দক্ষ পুলিশ বাহিনী গড়ার লক্ষ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে। পুলিশ স্টাফ কলেজকে এ প্রশিক্ষণের জন্য নির্বাচিত করায় তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

উল্লেখ্য, পাঁচ দিনব্যাপী এ কোর্সে ইন্দোনেশিয়ার ২ জন, যুক্তরাষ্ট্রের ১ জন, পাকিস্তানের ৬ জন এবং বাংলাদেশের ৩০ জন নারী পুলিশ কর্মকর্তাসহ মোট ৩৯ জন অংশগ্রহণ করছেন।

জেইউ/এমএসএইচ