ঢাকা, রবিবার, ১৯ জানুয়ারি ২০২০, ৬ মাঘ ১৪২৭

খালেদার মুক্তির দাবিতে দেশব্যাপী স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ

https://www.jagonews24.com/politics/news/546094
BYজ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০৩:০১ এএম, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৯

বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজের প্রতিবাদে এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের উদ্যোগে দেশব্যাপী জেলা ও মহানগরে পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

শনিবার সংগঠনটির দফতরের দায়িত্বে মো. রফিকুল ইসলাম এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন।

এতে বলা হয়, খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজের প্রতিবাদে এবং নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ কর্মসূচি সফল করার জন্য দেশব্যাপী জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের জেলা ও মহানগর নেতাকর্মীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শফিউল বারী বাবু এবং সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদির ভুইয়া জুয়েল।

দেশের জেলা ও মহানগর নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে নেতৃদ্বয় বলেন, দেশের বর্তমান শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি এবং এক কঠিন নির্মম অবস্থার মধ্য দিয়ে আমরা সময় অতিক্রম করছি, যখন দেশে মানুষের নিরাপত্তা নেই, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নেই, মিথ্যা দিয়ে সত্যকে চেপে ধরা হয়েছে, দুর্বৃত্তায়ন চারদিকে। দেশের গণমানুষের প্রতিবাদী ও সাহসী কণ্ঠস্বর, যিনি দেশের গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যের প্রতীক, আমাদের সেই দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনৈতিক ময়দানে পরাভূত করতে না পেরে ক্ষমতাসীন অগণতান্ত্রিক অপশক্তি মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে, আদালতের রায়ের দোহাই দিয়ে কারারুদ্ধ করে রেখেছে। জনগণ আশা করেছিল, নিম্ন আদালত বিচারের নামে অবিচার করলেও উচ্চ আদালতে খালেদা জিয়া সুবিচার পাবেন। উচ্চ আদালতের বিচারকরা দেশের সংবিধান, আইন, সর্বোপরি নিজেদের বিবেকের প্রতি দায়বদ্ধ থাকবেন। কিন্তু উচ্চ আদালত কর্তৃক বেগম জিয়ার জামিন আবেদন খারিজের ঘটনায় জনগণ হতাশ হয়েছে। জনগণ অবিলম্বে দেশনেত্রীর নিঃশর্ত মুক্তি চায়।

তারা আরও বলেন, আমরা আবারও বলছি খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে সরকার ও সরকারপ্রধান। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, আইন-আদালত আয়ত্তে নিয়ে সাজানো মিথ্যা মামলা দিয়ে একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে নাজেহাল করা হচ্ছে, জনগণ সেটি আর বেশি দিন মেনে নেবে না। আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, জনগণ কাউকেই ক্ষমা করবেনা। অবিলম্বে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিতে হবে। তাকে তাঁর পছন্দ অনুযায়ী বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ দিতে হবে।

কেএইচ/এমএসএইচ