ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৬
BY  স্পোর্টস ডেস্ক ২৩ অক্টোবর ২০১৮, ২২:৩৫ | অনলাইন সংস্করণ
কোচ চন্দিকা হাথুরুসিংহের সঙ্গে অধিনায়ক দিনেশ চান্দিমাল-ছবি সংগৃহীত ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিতর্কে জর্জরিত ক্রিকেট শ্রীলংকা। ফিক্সিংয়ের রেশ না কাটতেই সদ্য শেষ হওয়া দুবাইয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে হেরে টুর্নামেন্ট থেকেই ছিটকে যায় হাথুরুসিংহের শীষ্যরা।

সুপার ফোরের লড়াইয়ের আগে এশিয়া কাপ থেকে বিদায় নেয়ায় ‍শুধু অধিনায়কের পদ থেকেই নয়, দল থেকেই বাদ দেয়া হয় শ্রীলংকার অন্যতম সেরা ক্রিকেটার অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউসকে।

হাথুরুসিংহের গুটিবাজিতে ‘বলির পাঠা’ হয়েছেন ম্যাথিউস। ক্রিকেট বোর্ডের কাছে লেখা চিঠিতে তিনি তা উল্লেখ করেন। সেই বিতর্ক এড়িয়ে মাঠের ক্রিকেটে অনন্য নজির গড়েছে বিতর্কিত কোচ হাথুরুসিংহের শীষ্যরা।

মঙ্গলবার কলম্বোর প্রেমাদাসা স্টেডিয়াম টস জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে শ্রীলংকা। এদিন কোনো সেঞ্চুরি ছাড়াই ৬ উইকেটে ৩৬৬ রানের পাহাড় গড়ে স্বাগতিক শ্রীলংকা। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৯৫ রান করেন ওপেনার নিরশন ডিকওয়াল। ৮০, ৫৬ ও ৫৪ রান করে করেন দিনেশ চান্দিমাল, কুশাল মেন্ডিস ও সাদরে সমরওয়িক্রম।

এদিন ৩৬৬ রান করার মধ্য দিয়ে ইংলিশদের বিপক্ষে সর্বোচ্চ রানের রেকর্ড গড়ে শ্রীলংকা। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে শ্রীলংকার সর্বোচ্চ সংগ্রহ ছিল ৩২৪। ২০০৬ সালে ইংল্যান্ড সফরে স্বাগতিকদের করা ৩২১ রানের জবাবে উপল থারাঙ্গা এবং সনাৎ জয়সুরিয়ার জোড়া সেঞ্চুরিতে রানের পাহাড় গড়ে ৮ উইকেটের বড় জয় পেয়েছিল মাহেলা জয়াবর্ধনের নেতৃত্বাধীন লংকান ক্রিকেট দল।

তবে ওয়ানডে ক্রিকেটের শ্রীলংকার সর্বোচ্চ সংগ্রহ ৯ উইকেটে ৪৪৩ রান। ২০০৬ সালে নেদারল্যান্ডের বিপক্ষে এই রেকর্ড গড়ে সনাৎ জয়সূরিয়ার নেতৃত্বাধীন শ্রীলংকান ক্রিকেট দল।

শুধু তাই নয়, প্রায় সাড়ে তিন বছর পর এমন রেকর্ডময় একটা ইনিংস খেলল শ্রীলংকা। এই ইনিংস আগামী দিনের পথচলায় অনুপ্রেরণা জোগাবে হাথুরুসিংহের শীষ্যদের।

শ্রীলংকার ছুড়ে দেয়া ৩৬৭ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে ২৬.১ওভারে ১৩২ রান সংগ্রহ করতেই ৯ উইকেট হারিয়ে বসে জস বাটলারের নেতৃত্বাধীন ইংল্যান্ড ক্রিকেট দল। এরপর বৃষ্টির কারণে খেলা আর মাঠে গড়ায়নি। ডিএল মেথডে ২১৯ রানের বড় ব্যবধানে জয় পায় শ্রীলংকা।

এই জয়ের মধ্য দিয়ে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজে ৩-১ ভাগ বসালো দিনেশ চান্দিমালের নেতৃত্বাধী দল। আগের ম্যাচে জিতেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করেছিল ইংল্যান্ড।