ঢাকা, সোমবার, ২১ মে ২০১৮, ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৫

‘এক্সেল লোড’ স্থগিতে মন্ত্রীকে মেয়রের চিঠি

http://www.kalerkantho.com/online/2nd-capital/2018/05/18/637537
BYনিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে পণ্য পরিবহনে ‘এক্সেল লোড’ নিয়ন্ত্রণ স্থগিত করার জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরকে চিঠি দিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে সিটি করপোরেশন থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

মন্ত্রীকে অনুরোধ জানিয়ে লেখা চিঠিতে সিটি মেয়র বলেছেন, বন্দর নগর চট্টগ্রাম থেকে সরবরাহকৃত পণ্য দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে প্রভাব রাখে। সম্প্রতি বৃহত্তর চট্টগ্রাম থেকে সারা দেশে পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে দুই এক্সেল ছয় চাকার মোটরযানের মাধ্যমে মাত্র ১৩ টন ওজন নির্দিষ্ট করে দেওয়ার ফলে পরিবহন ব্যয় দ্বিগুণ বেড়ে গেছে। শিল্পের কাঁচামাল, ভোগ্য ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রে পরিবহন ব্যয় কেজিপ্রতি তিন-চার টাকা পর্যন্ত বেড়ে গেছে। দেশের অন্য কোনো মহাসড়কে ওজন নিয়ন্ত্রণ না থাকার কারণে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা অসম প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

নাছির বলেন, দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের প্রায় সিংহভাগ চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়। বন্দর নগর চট্টগ্রাম থেকে আমদানিকৃত নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্য ও বিভিন্ন শিল্পের কাঁচামাল সারা দেশে সরবরাহ করা হয়ে থাকে। অন্যদিকে সরকার সারা দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। তবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে উল্লিখিত ওজন নিয়ন্ত্রণের কারণে পরিবহন ব্যয় বাড়ায় সারা দেশের সাধারণ মানুষ এসব পদক্ষেপের সুফল থেকে বঞ্চিত হবে এবং ভোগ্যপণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে বলে তিনি মনে করেন।

এসব বিষয় বিবেচনা করে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই এক্সেলবিশিষ্ট মোটরযানে ১৩ টন ওজন পরিবহনের বাধ্যবাধকতা শিথিল করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান মেয়র নাছির। সেই সঙ্গে রমজানে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে রমজান মাসের জন্য এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ স্থগিত করার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।