ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮, ৫ ভাদ্র ১৪২৬

তিন মাসের মধ্যে নোয়াখালী বিমানবন্দরের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

http://www.kalerkantho.com/online/country-news/2018/07/23/661167
BYসামসুল হাসান মীরন, নোয়াখালী   

বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল বলেন, আগামী তিন মাসের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে নোয়াখালীর বিমানবন্দর ও অবকাঠামো নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে ইনশাল্লাহ।

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে এ এলাকায় বিমানবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের জন্য দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তাদের অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে রিপোর্ট দিতে বলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিমানবন্দর নির্মাণ করা হবে এবং সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

মন্ত্রী রবিবার বিকেলে নোয়াখালীর দক্ষিণে উপকূলীয় অঞ্চলের সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চরশুল্লাকিয়া গ্রামের ৪০ একর ভূমির ওপর ১৯৭০ সালে নির্মিত নোয়াখালীর এয়ারপোর্টটির রানওয়ে পরিদর্শন শেষে স্থানীয় ওয়াপদা বাজারে এক বিশাল জনসভায় এসব কথা বলেন। মন্ত্রী জনসভায় আগামী নির্বাচনে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনাকে পুনরায় দেশ পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার জন্য আহবান জানান।

নোয়াখালী সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আ্যডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহিনের সভাপতিত্বে জনসভায় বক্তব্য রাখেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মহিবুল হক, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, লক্ষ্মীপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম ফারুক পিংকু, লক্ষিপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক আ্যডভোকেট আতাউর রহমান নাছের প্রমুখ। এ সময় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মো. মাহবুব আলম তালুকদার, নোয়াখালী পুলিশ সুপার ইলিয়াস শরিফসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে নোয়াখালী ৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীর কবিরাহাটস্থ বাস ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীতে পর্যটনের ব্যাপক ভবিষ্যত রয়েছে। পর্যটন শিল্প হচ্ছে দেশের সবচেয়ে বড় অর্থনীতির যোগান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পর্যটন শিল্পসহ সব খাতে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। আগামী ২০২১ সালে আমরা সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করব। ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু শতবর্ষ পালন করব। বাংলাদেশের অর্থনীতি মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টা কাজ করে যাচ্ছেন। আজকের ডিজিটাল বাংলাদেশ তারই ফসল। নেত্রীর জন্য আজ আমরা বিশ্বে মাথা উচু করে দাঁড়াতে পেরেছি। অথচ একদল দুষ্কৃতিকারী তাকে হত্যা করার ষড়যন্ত্র করছে।

পর্যটন শিল্প নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবারে মন্ত্রী বলেন, নোয়াখালীর হাতিয়ার নিঝুম দ্বীপ ও সুবর্ণচর পর্যটন শিল্পের সম্ভাবনাময় একটি খাত। এ খাতকে কাজে লাগাতে সরকার ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছে এবং কিছুদিনের মধ্য এটি নিয়ে মন্ত্রী সভায় কথা বলার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও তিনি জানান। এ ছাড়া উপকূলীয় চরাঞ্চলে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এ সময় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন সচিব মো. মহিবুল হক. সিভিল এভিয়েশানের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল এম নাইম হাসান, নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল ওয়াদুদ পিন্টু, আওয়মী লীগ নেতা মাহমুদুর রহমান জাবেদ, আবু নাসের প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।