ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৬

এমপির বিরুদ্ধে তাঁতী লীগের জেলা সভাপতিকে মারধরের অভিযোগ

http://www.kalerkantho.com/online/country-news/2018/08/20/671714
BYবরগুনা প্রতিনিধি   

বরগুনা জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি মো. ইদ্রিস চৌধুরীকে মারধরের অভিযোগে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় বরগুনা প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন- ভুক্তভোগী মো. ইদ্রিস চৌধুরী। ইদ্রিস চৌধুরী জেলা তাঁতী লীগের সভাপতিসহ বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার রায়হানপুর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

সংবাদ সম্মেলনে ইদ্রিস চৌধুরী বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে অংশ নিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি পাথরঘাটার চরদুয়ানী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে যান। সেখানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন তার সহযোগীদের নিয়ে পথ রোধ করে তাকে মারধর শুরু করেন। মারধরের এক পর্যায়ে এমপি রিমন ও তার সহযোগীরা তাকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানোসহ হত্যার হুমকি দেন।

এ ঘটনার সময় এমপি রিমনের সহযোগী রায়হানপুর ইউনিয়নের সেলিম ফকিরের ছেলে মো. বশির মিয়া তার পকেটে থাকা কোরবানির গরু কেনার সাড়ে ৯৬ হাজার টাকা ও তার গলা থেকে একটি সোনার চেইন ছিনিয়ে নেয়।

এ ঘটনার প্রতিকার পাওয়ার জন্য তিনি জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তার ফোনে একের পর এক অপরিচিত নাম্বার থেকে কল দিয়ে তাকে নানাভাবে এমপি রিমনের সহযোগীরা ভয়ভীতি প্রদান করছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।

মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য শওকত হাচানুর রহমান রিমন বলেন, আমি যখন পাথরঘাটা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ছিলাম- তখন ইদ্রিস চৌধুরী এলাকার বিভিন্ন চোরাই কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত ছিল। চুরির অভিযোগে তিনি ইদ্রিস চৌধুরীকে একাধিকবার এলাকা ছাড়া করেছেন। ইদ্রিস চৌধুরী এখন সংস্পর্শে এসে তার ক্ষতি করার চেষ্টা করছেন, তাই তিনি ইদ্রিস চৌধুরীকে শাসিয়েছেন মাত্র।