ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

১৪০ মুক্তিযোদ্ধাকে সংবর্ধনা দিল না.গঞ্জ জেলা পরিষদ

http://www.kalerkantho.com/online/country-news/2018/09/26/684463
BYনারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৪০ জন মুক্তিযোদ্ধাকে গতকাল মঙ্গলবার সংবর্ধনা দিয়েছে নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের নবাগত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুব্রত পালের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সাবেক কমান্ডার ও এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সহসভাপতি মোহাম্মদ আলী, নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক মখলেছুর রহমান। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা পরিষদের সদস্য মজিবুর রহমান, মাহমুদা মালা, মাহবুবুর রহমান রোমান, সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের সাবেক কমান্ডার শাহজাহান ভূইয়া জুলহাস। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য আলাউদ্দিন, মোস্তফা হোসেন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট নূর জাহান, অ্যাডভোকেট পারভীন আক্তার কবিতা প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের ১৪০ মুক্তিযোদ্ধার প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের মডেলে পরিণত হয়েছে। সারাবিশ্ব আজকে বাংলাদেশকে অনুকরণ করছে। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। তবে ষড়যন্ত্রকারীরা, যারা দেশের স্বাধীনতা চায়নি, ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করেছে, প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ২১ আগস্ট, কোটালীপাড়ায় বোমা মেরে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল তারা আবার ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা করেছে। ষড়যন্ত্রকারীদের আনাগোনা বেড়ে গেছে। এজন্য আমাদের চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। পাড়া-মহল্লায় সরকারের উন্নয়ন প্রচার করতে হবে। অসমাপ্ত কাজগুলো সম্পন্ন করতে শেখ হাসিনাকে আবার ক্ষমতায় বসাতে হবে।’ মোহাম্মদ আলী বলেন, ‘জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযোদ্ধারা দেশ রক্ষায় ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। কিন্তু আজকে মুক্তিযুদ্ধের ফল ভোগ করছেন কারা। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনপ্রতিনিধি হওয়ায় তাঁর কাছে আমরা সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারি। কিন্তু ডিসি, এসপি, ইউএনওদের কাছে আমরা মূল্যায়ন পাই না। কাজ করতে গিয়ে কী পোহাতে হয় তার বিস্তারিত আমি বলতে চাই না।’ তিনি বলেন, ‘শেখ হাসিনা যদি ড়্গমতায় না থাকতেন তাহলে আজকে মুক্তিযোদ্ধারা সুযোগ-সুবিধা পেত না। তাই শেখ হাসিনাকে আবারো ক্ষমতায় বসাতে হবে।’ মখলেছুর রহমান বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ সম্মান দিতে হবে। আমাদের অনেকেই এসপি, ডিসি, সচিব হতে পারবে, কিন্তু মুক্তিযোদ্ধা কেউ হতে পারবে না। তবে আমরা যারা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তারা যদি অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে কাজ করে যেতে পারি তাহলে ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের স্মরণ করবে।’