ঢাকা, রবিবার, ১৬ ডিসেম্বর ২০১৮, ২ পৌষ ১৪২৬

নির্দেশনার পরেও সরেনি প্রচারণা সামগ্রী

http://www.kalerkantho.com/online/country-news/2018/11/20/705708
BYভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি   

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রচারণামূলক সব ধরনের বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন গত রবিবার দিবাগত রাত ১২টার মধ্যে সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। তাছাড়া স্থানীয় উপজেলার প্রশাসনের পক্ষ থেকেও এসব প্রচারণা সামগ্রী অপসারণ করতে বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হয়েছে।

কিন্তু নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হওয়ার পরও পাবনা-৩ (ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর ও ফরিদপুর) আসনের ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন বাজার ও সড়কের দু’পাশে যত্রতত্র নির্বাচনী প্রচারণামূলক বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন দেখা গেছে।

জানা যায়, ৯ নভেম্বর নির্বাচন কমিশন থেকে জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে ব্যক্তিগত উদ্যোগ ১৪ নভেম্বরের মধ্যে সব ধরনের প্রচারণা সামগ্রী সরিয়ে ফেলার নির্দেশনা প্রদান করা হয়। প্রথম দফায় বেধে দেয়া সময়ের মধ্যে নির্বাচনী প্রচারণামূলক কার্যক্রম অপসারণ না হওয়ায় সময় বাড়িয়ে তা ১৮ নভেম্বর রবিবার দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত করা হয়।

সোমবার সরেজমিন দেখা যায়, ফরিদপুর উপজেলার গোপালনগর বাজার থেকে ভাঙ্গুড়া উপজেলার চরপাড়া সীমান্ত পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার প্রধান সড়কের দু’পাশে এমপি মনোনয়ন প্রত্যাশীদের বিলবোর্ড ও ফেস্টুন এখনো গাছে পেরেক দিয়ে আটকানো রয়ে গেছে।

এ ছাড়া পৌর শহরের গোপালনগর ও খলিশাদহ বাজার এবং বি-নগর ইউনিয়নের সোনাহারা বাজার এলাকায় বিভিন্ন প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণামূলক বিভিন্ন আকৃতির ব্যানার, বিলবোর্ড ও পোস্টার শোভা পাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে ঘোষণা দিলেও কোনো প্রার্থী বা স্থানীয় প্রশাসনকে নির্বাচনী প্রচারণার সামগ্রী অপসারণ করতে দেখেননি তারা।

ফরিদপুর উপজেলা নির্বাচন অফিসার আলী হোসেন জানান, একজন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের মাধ্যমে টাঙানো নির্বাচনী প্রচারণা সামগ্রী অপসারণ করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার স্যারকে অবগত করা হবে।

এ প্রসঙ্গে ফরিদপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারি রিটার্নিং অফিসার আহম্মদ আলী জানান, যেসব নির্বাচনী প্রচারণা সামগ্রী এখনো টাঙানো আছে সেগুলো দ্রুত অপসারণের ব্যবস্থা নেয়া হবে।