ঢাকা, বুধবার, ২২ মে ২০১৯, ৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭

হাজীগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণকারী শিক্ষক কারাগারে

http://www.kalerkantho.com/online/country-news/2019/04/25/762455
BYহাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি   

চাঁদপুরের হাজীগঞ্জে ধর্ষণের অভিযোগে মো. কাউছার হোসেন (২৮) নামের এক শিক্ষককে জেলহাজতে পাঠিয়েছে আদালত। বুধবার দুপুরে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করে।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কাউসারকে আটক করে হাজীগঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোশারফ হোসেনসহ সঙ্গীয় ফোর্স। জান্নাতুল ফেরদাউস (২৪) নামের এক গৃহবধূর ধর্ষণ মামলায় পুলিশ কাউসারকে আটক করে। কাউছার উপজেলার বড়কুল পূর্ব ইউনিয়নের নোয়াদ্দা গ্রামের খলিল মিয়া বেপারী বাড়ির মো. শাহজামালের ছেলে। জান্নাতুল একই বাড়ির জাকির হোসেনের স্ত্রী। তার বাবার বাড়ি কচুয়া উপজেলার পরানপুর গ্রামে।

জানা গেছে, জান্নাতুল ফেরদৌসের সঙ্গে একই বাড়ির শিক্ষক কাউছার হোসেন সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। একপর্যায়ে জান্নাতুল ফেরদৌসকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে এক বছর ধরে ধর্ষণ করে আসছে কাউছার। কিন্তু গত এক বছরেও বিয়ে না করায় জান্নাতুল ফেরদৌস বাদী হয়ে হাজীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ ব্যাপারে বাদী জান্নাতুল ফেরদাউস জান্নাত জানান, বিয়ের পর থেকে স্বামী জাকির হোসেন দাম্পত্য জীবনে সুখ দিতে পারেনি। তাই দুই বছর পূর্বে কাউছারের সঙ্গে কথাবার্তা এবং তার সঙ্গে সম্পর্ক হয়। এক বছর ধরে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে উঠে। সে আমাকে বিয়ে করবে বলে বার বার আশ্বাস দিয়ে আসছে। কিন্তু বিয়ে না করায় আমি নিরুপায় হয়ে আইনের আশ্রয় নিয়েছি।

জান্নাতের স্বামী জাকির হোসেন জানান, আমার ৮/১০ লাখ টাকা জান্নাত গোপনে কাউছারের হাতে তুলে দিয়ে আমাকে সে নিঃস্ব করেছে। দীর্ঘদিন কাউছারের সঙ্গে খারাপ কাজ করে আসছে। তিনি বলেন, বিষয়টি আমার শ্বশুরকে জানানোর পর বুধবার দুপুরে তিনি এসে জান্নাতকে তার বাবা তাদের বাড়ি (কচুয়া) নিয়ে গেছে।

হাজীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মো. আলমগীর হোসেন রনি কালের কণ্ঠকে জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে কাউছার হোসেনকে আটক করা হয় এবং বুধবার আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে জেলহাজতে প্রেরণ করে। তিনি বলেন, বিষয়টি স্পর্শকাতর এবং সামাজিক অবক্ষয়।