ঢাকা, বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬

আসামির পলায়ন থানা থেকে

https://www.kalerkantho.com/online/country-news/2019/11/09/837371
BYকেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি   
হত্যা মামলার এক আসামি পালিয়ে গেছেন দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা থেকে। জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে শুক্রবার মো. ইয়ামিন নামের আসামি হাতকড়া খুলে কৌশলে পালিয়ে যান। এ ঘটনায় ৬ পুলিশ সদস্যকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

সূত্র জানায়, সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে গত ১৮ অক্টোবর বরিশালগামী কীর্তণখোলা-২ লঞ্চের ক্যান্টিনে সামনে খুন হন রুবেল মুন্সি (২২) নামের বাবুর্চি। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত হোটেল বয় ইয়ামিনকে ২০ দিন পর গ্রেপ্তার করতে পারলেও পুলিশ আদালতে হাজির করাতে পারেনি। দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার উিউটি অফিসারের সামনে দিয়েই চলে যান ইয়ামিন।

বাবুর্চি রুবেল হত্যার ঘটনায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় মামলা হলে তদন্তভার পান এসআই আবু সিদ্দিক। তিনি বৃহস্পতিবার রাতে ইয়ামিনকে আটক করে থানায় আনেন। এরপর পরিদর্শক অপারেশনের কক্ষে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ চলে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন এসআই আবু সিদ্দিক ও মোহাম্মদ মিজান। তারা এক পর্যায়ে আসামি ইয়ামিনকে রুমে রেখে বাইরে যান। আসামি হাতকড়া খুলে কৌশলে ডিউটি অফিসার এসআই জহিরুল ইসলামের সামনে দিয়ে হেটে পালিয়ে যান।

ঢাকা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেন্টার ইনচার্জ পরিদর্শক মো. শামীম জানান, আসামি পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় ডিএসবির পুলিশ সুপার শরিফুল ইসলামকে প্রধান করে ৩ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনার জন্য দায়ী এসআই আবু সিদ্দিক, মোহাম্মদ মিজান, জহিরুল ইসলাম, কনস্টেবল লতিফ, হাসেম ও অপারেটর মো. রফিককে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তাদের পুলিশ লাইনে সংযুক্ত রেখে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার মারুফ সরদার এ বিষয়ে বলেন, '৬ পুলিশ সদস্যকে প্রত্যাহারের বিষয়টি সঠিক নয়। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ লাইনে নিয়ে আসা হয়েছে।'