ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ নভেম্বর ২০১৮, ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬

ধামরাইয়ে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে আওয়ামী লীগ নেতারা, নেই বিএনপি

http://www.kalerkantho.com/online/dhaka/2018/10/19/693337
BYধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি   

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা মন্দিরে মন্দিরে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। অনুসারীদের নিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত সার্বজনীন ও ব্যক্তিগত পূজা মণ্ডপে গিয়ে পূজারীদের সাথে কুশল বিনিময়কালে কোনো সমস্যা আছে কিনা খোঁজ খবর নিচ্ছেন।কিন্তু বিএনপির কোনো নেতা বা মনোনয়ন প্রত্যাশীদের দেখা যায়নি এসব মণ্ডপে।

জানা গেছে, তারা পুলিশি ভয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ যাকে আটক করে তাকেই পুরাতন মামলার গং আসামির তালিকায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করছে। ফলে ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বড় উৎসবে কুশল বিনিময় করার সুযোগ পাচ্ছে না।

এদিকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমদ, বর্তমান এমপি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম এ মালেক, পৌর মেয়র ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম কবির, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মনোয়ার হোসেন চুনকু তাদের অনুসারীদের নিয়ে সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত মন্দিরে মন্দিরে গিয়ে পূজারীদের সাথে কুশল বিনিময় ও কিছু সময় ব্যয় করছেন ভক্তদের সাথে।

কিন্তু বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার জিয়ারউর রহমান খান, উপজেলা বিএনপির সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান তমিজ উদ্দিন, সাবেক সংসদ সদস্য মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদ ও ঢাকা জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ইয়াছিন ফেরদৌস মুরাদ এখনো কোনো পূজা মণ্ডপে যায়নি বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক বাবু নন্দ গোপাল সেন বলেন, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীরা অধিকাংশ পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করছে এবং পূজারীদের সাথে কুশল বিনিময় করে সুবিধা-অসুবিধার খোঁজ-খবর নিচ্ছে। কিন্তু বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের মধ্যে কেউ কোনো পূজা মণ্ডপে পরিদর্শনে যায়নি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা বিএনপির সভাপতি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী তমিজ উদ্দিন বলেন, ইচ্ছা ছিল প্রতিটি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করার। কিন্তু পুলিশি হয়রানিতে তা হচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ২৫ সেপ্টেম্বর নাশকতার অভিযোগ এনে পুলিশ বাদী হয়ে ১১৮জনের নাম উল্লেখ ও ১০০ থেকে ১৫০জনকে অজ্ঞাত আসামি করে। ওইদিন তমিজ উদ্দিন ব্যবসায়ীক কাজে ভারতে অবস্থান করলেও তাকে আসামি করা হয় এ মামলায়।