ঢাকা, মঙ্গলবার, ২০ আগস্ট ২০১৯, ৫ ভাদ্র ১৪২৭

আন্দোলনরত হকারদের নগরভবন ঘেরাও

http://www.kalerkantho.com/online/national/2019/04/26/762850
BYনিজস্ব প্রতিবেদক   

পুনর্বাসন ছাড়া হকার উচ্ছেদ বন্ধ ও হকার ব্যবস্থাপনার জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়ে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে আন্দোলনরত হকাররা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়নের উদ্যোগে নগর ভবন (ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন) ঘেরাও কর্মসূচি থেকে এই দাবি জানানো হয়।

বিভিন্ন দাবিতে গত তিন মাস ধরে আন্দোলনরত পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি হিসেবে বেলা সাড়ে ১১টায় বায়তুল মোকাররম লিংক রোড থেকে মিছিল করে নগর ভবন অভিমুখে যাত্রা করে। মিছিলটি নগরভবনের কাছে পৌঁছলে পুলিশ বাধা দিলে হকাররা সেখানেই অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন।

সংগঠনের সভাপতি আব্দুল হাশেম কবীরের সভাপতিত্বে ওই সমাবেশে বক্তৃতা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার হায়াৎ, কার্যকরি সভাপতি মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল, সহ-সভাপতি আবুল কালাম, মঞ্জুর মঈন ও শহিদুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন, দপ্তর সম্পাদক গোলাপ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা শহিদ খান প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংসদ সদস্য শিরিন আক্তারের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণায় সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানানো হয়। ওই ঘোষণায় প্রধানমন্ত্রী হকারদের শুক্র ও শনিবার (ছুটির দিন) সারাদিন বসতে দেওয়ার ঘোষণা দেন এবং বাকী ৫ দিন সিটি কর্পোরেশনকে নির্দিষ্ট সময় নির্ধারণ করে দেওয়ার নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ হকার্স ইউনিয়ন বেলা ১২টা থেকে বসতে দেওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশনের কাছে দাবি জানান।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, বিজয় অর্জনের চেয়ে বিজয় রক্ষা করা কঠিন তাই হকারদের ঐক্যবদ্ধ থেকে শৃংখলার সাথে ফুটপাতের এক-তৃতীয়াংশে বসে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে জনসাধারণের বিঘ্ন ঘটে এমন কোনো কাজ করা যাবে না। ফুটপাত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। নেতৃবৃন্দ ফুটপাতে সকল ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য সিটি কর্পোরেশন এবং পুলিশকে অনুরোধ করেন।

সমাবেশে নেতবৃন্দ ২/৩ দিনের মধ্যে মেয়র মহোদয়ের সাথে বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান হবে বলে আশা প্রকাশ করেন। এ সময় নেতৃবৃন্দ পূর্ব ঘোষিত আগামী ২৮ এপ্রিল ভুখা মিছিল ও ২ মে থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেন।