ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮, ৭ কার্তিক ১৪২৬

বান্দরবান থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে রোহিঙ্গা সরিয়ে নেওয়া শুরু

http://www.kalerkantho.com/online/rohingyas-killing/2018/01/14/589403
BYনিজস্ব প্রতিবেদক, বান্দরবান    

বান্দরবান পার্বত্য জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি এলাকা থেকে দ্বিতীয় পর্যায়ে রোহিঙ্গ্যাদের সরিয়ে নেয়ার কাজ আজ রবিবার থেকে শুরু হয়েছে। পূর্ব গৃহিত কর্মসূচি অনুযায়ী ২০৭ জনকে স্থানান্তরের প্রস্তুতি থাকলেও প্রথম দিনে ৪৬টি পরিবারের ১৯১ জনকে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গ্যা ক্যাম্পে স্থানান্তর করা সম্ভব হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের তত্বাবধানে ৭টি বাসযোগে সদর ইউনিয়নের সাপমারাঝিরি অস্থায়ী ক্যাম্প থেকে তাদের সরিয়ে নেওয়া হয়। আগামী ২০ দিনের মধ্যে সাপমারাঝিরি, বড় শণখোলা, বাহিরমাঠ ও কোনারপাড়া সীমান্ত থেকে আরো ১৬ হাজার রোহিঙ্গাকে স্থানান্তর করা হবে।

সূত্র আরো জানায়, তালিকা অনুযায়ী রবিবার সকালে ১৯৯ জনকে বাসে তোলা হলেও সেখান থেকে ৮ রোহিঙ্গা পালিয়ে যায়। এ অবস্থায় ১৯১ জনকে নিয়ে বাসগুলো সকাল সাড়ে আটটায় কুতুপালংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করে।

জানা গেছে, আন্তর্জাতিক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির সহযোগিতায় এই স্থানান্তর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তবে এই প্রক্রিয়ায় স্থানীয় প্রশাসনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনের অতিরিক্ত কমিশনার শামসুদ্দোজা জানান, প্রথম দফায় উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের শূণ্য রেখা থেকে ৩ হাজার রোহিঙ্গাকে উখিয়ায় সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

তিনি জানান, সদর ইউনিয়নে বর্তমানে প্রায় ১৬ হাজার রোহিঙ্গা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে তাদের সবাইকে উখিয়ার কুতুপালংয়ে সরিয়ে নেওয়া হবে।

শামসুদ্দোজা বলেন, কুতুপালংয়ে রোহিঙ্গাদের জন্য তাঁবু, পানি ও ল্যাট্রিনসহ সব ধরনের ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

এদিকে আজ রবিবার কালেক্টরেট সভা কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় নাইক্ষ্যংছড়ির উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম সারোয়ার কামাল অভিযোগ করেন, রোহিঙ্গ্যা ইস্যুটি বাংলাদেশ সরকারের অত্যন্ত জনগুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হলেও গৃহিত পদক্ষেপ সম্পর্কে শরণার্থী ত্রাণ প্রত্যাবাসন কমিশন এবং আন্তর্জাতিক রেড ক্রিসেন্ট স্থানীয় প্রশাসনকে কিছুই অবহিত করছে না।