ঢাকা, সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫

আত্মবিশ্বাসে ভরপুর দুর্দান্ত দল ব্রাজিল : পলিনহো

http://www.kalerkantho.com/online/sport/2018/06/14/647888
BYকালের কণ্ঠ অনলাইন   

৪ বছর আগে নিজ দেশে স্বাগতিক হিসেবে ব্রাজিল দলটির থেকে এবারের রাশিয়া বিশ্বকাপের জন্য সেলেসাওদের প্রস্তুতি অনেক ভালো বলে বিশ্বাস করেন মিডফিল্ডার পলিনহো। ২০১৪ সালের বিশ্বাকপে লুইজ ফিলিপ স্কলারির দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন ২৯ বছর বয়সী পলিনহো। জার্মানীর কাছে সেমিফাইনালে ৭-১ গোলে বিধ্বস্ত হবার তিক্ত স্মৃতি এখনো ভুলতে পারেননি এই তারকা মিডফিল্ডার। ওই ম্যাচে তিনি বদলিখেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নেমেছিলেন।

এবার তিতের দলে ওই আসরের চারজন খেলোয়ার রয়েছেন। এবারের দলের থিয়াগো সিলভা ওই দলে থাকলেও জার্মানীর বিপক্ষে নিষেধাজ্ঞা এবং নেইমার ইনজুরির কারণে খেলতে পারেননি। আগামী রবিবার সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে এবারের রাশিয়া বিশ্বকাপ মিশন শুরু করতে যাচ্ছে পাঁচবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। গত দুই বছরে ২১টি ম্যাচে মাত্র দুটিতে পরাজিত হয়েছে তিতের শিষ্যরা।

সোচিতে ব্রাজিলের বেস ক্যাম্পে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বার্সেলোনার এই মিডফিল্ডার বলেছেন, 'আমরা এখন আত্মবিশ্বসাসে ভরপুর দুর্দান্ত একটি টিম। এখন পর্যন্ত টুর্নামেন্টের আগে ব্রাজিল দলের যা পরিস্থিতি তাতে স্পষ্টভাবেই বলা যায়, এবারের দলটি আগেরবারের তুলনায় অনেক ভালো অবস্থায় আছে। বেশকিছু দিক থেকেই এবারের প্রস্তুতি ভালো হয়েছে। চার বছরে আমরা অনেক কিছু শিখেছি, ওই স্মৃতিটা আমরা ভুলে যেতে চাই। এটাও ফুটবলের একটি অংশ।'

তিনি আরও বলেন, 'এই চার বছরে আমরা একটি বিষয় করার চেষ্টা করেছি, অতীতকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে যাবার অনুপ্রেরণা যোগানোর কাজ করেছি। এখন আমাদের সামনে আরেকটি সুযোগ এবং আমরা অবশ্যই ভালো খেলতে চাই। এটাই জীবন। ফুটবলে এই একটি বিষয় ভালো যে এখানে খুব দ্রুতই আরেকটি সুযোগ হাতে পাওয়া যায়।'

২০১৪ সালের পর থেকে টটেনহ্যাম হটস্পারের এই সাবেক মিডফিল্ডার এক বছর চায়নায় কাটিয়ে গতবছর বার্সেলেনায়া যোগ দেন। এটা অনেকের কাছেই বিস্ময়কর মনে হলেও বার্সেলোনায় মৌসুমটা বেশ উপভোগ করেছেন পলিনহো। সদ্য সমাপ্ত মৌসুমে ঘরোয়া দুটি শিরোপা অর্জন করেছে বার্সা। ক্লাব ফুটবলে সাওপাওলো জায়ান্ট কোরিন্থিয়ান্সে তিতের অধীনে খেলেছেন পলিনহো। এবারের দলে তরুণ ও অভিজ্ঞদের মাঝে ভালো একটি সমঝোতা আছে বলেই তিনি বিশ্বাস করেন।

এ সম্পর্কে পলিনহো বলেন,'যে খেলোয়াড়টি ক্যারিয়ারে এখনো বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ পায়নি তারা নিজেদের অভিজ্ঞতা অর্জন করবে। এটা আমার দ্বিতীয় বিশ্বকাপ। আমি যখন প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে মাঠে নেমেছিলাম তখন দলের অভিজ্ঞ থিয়াগো সিলভা ও ড্যানিযেল আলভেসদের কাছে অনেক কিছুই শিখেছি। কিন্তু সবচেয়ে বড় বিষয় হলো দুই কিংবা তিনটি বিশ্বকাপ যাই হোক না কেন, তা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেয়া। ব্রাজিল দলের এটাই একটা বৈশিষ্ট্য যে, একে অপরের সাথে ভালো বিষয়গুলো ভাগাভাগি করে নেয়।'