ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০১৯, ৬ আষাঢ় ১৪২৭

‘বাছিরের বরখাস্তকে মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন হয়েছে’

https://www.ppbd.news/national/110351
BYনিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ:  ১২ জুন ২০১৯, ১৪:০৪

ফাইল ছবি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরের বরখাস্তকে মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংস্থাটির চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।

বুধবার (১২ জুন) দুদক কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ মন্তব্য করেন তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, এনামুল বাছিরকে ঘুষের কারণে নয়, তথ্য পাচারের অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, ঘুষের বিষয় নিয়ে মিডিয়ায় ভুলভাবে উপস্থাপন হয়েছে। তথ্য টুইস্ট করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা তাকে (এনামুল বাছির) ঘুষের কারণে বরখাস্ত করেনি। এটা তো প্রমাণের বিষয়। দুদকের অভ্যন্তরীণ তথ্য বাইরে কীভাবে গেলো সেটাই বড় প্রশ্ন। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘিত হয়েছে। যদিও এটাও প্রমাণের বিষয়।

এরপর দুপুরে দুদক কার্যালয়ে প্রবেশের সময় এ বিষয়ে জানতে চাইলে এনামুল বাছির বলেন, গণমাধ্যম ভুল, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য পরিবেশন করে আমার ক্ষতি করছে, তারা যাচাই-বাছাইয়ের প্রয়োজন মনে করছে না।

তিনি আরও বলেন, আমার ক্ষতি করে কুশল ও সালাম বিনিময় অপ্রয়োজনীয়। সাংবাদিকদের এড়াতে সাড়ে ১২টায় দুদকে ঢুকলাম। তবুও সাংবাদিকদের কাছ থেকে ছাড় পেলাম না।

এদিকে পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার বিষয়টি মঙ্গলবার বানোয়াট বলেছেন দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার সদ্য সাময়িক বরখাস্তকৃত দুদক পরিচালক ‘সব বানোয়াট’ বলেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে বাছির বলেন, যে অভিযোগ করেছে তাকে (ডিআইজি মিজান) প্রমাণ করতে বলুন।

এক পর্যায়ে সাংবাদিকরা ওই অডিওর বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, এটা বানোয়াট একটা অভিযোগ। আপনারা যত প্রকারের এক্সপার্ট নিয়ে পারেন প্রমাণ করেন। যেভাবে পারেন প্রমাণ করেন। তাকে প্রমাণ নিয়ে আসতে বলেন। মিথ্যার কোনো প্রমাণ থাকে না।

এক নারীকে জোর করে বিয়ের পর নির্যাতন চালানোর অভিযোগ ওঠায় গত বছরের জানুয়ারিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় মিজানকে। এর চার মাস পর তার সম্পদের অনুসন্ধানে নামে দুদক। উপ-পরিচালক ফরিদউদ্দিন পাটোয়ারির হাত ঘুরে অনুসন্ধানের দায়িত্ব পান এনামুল বাছির।

এক পর্যায়ের ডিআইজি মিজান দাবি করেন, তার কাছ থেকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন দুদক কর্মকর্তা বাছির। এর স্বপক্ষে তাদের কথপোকথনের কয়েকটি অডিও ক্লিপ প্রকাশ পায়।

এই পরিস্থিতিতে সোমবার তদন্ত কমিটি গঠনের পাশাপাশি বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করে দুদক।

পিপিবিডি/এসএম