ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮, ৮ শ্রাবণ ১৪২৬

‘ভাল্লাগেনা’ একটি রোগ

http://news.zoombangla.com/ভাল্লাগেনা-একটি-রোগ/
April 16, 2018
জুমবাংলা ডেস্ক : আমাদের বিশাল জনসংখ্যার একটা বড় অংশই এখন ‘ভাল্লাগেনা’ রোগে আক্রান্ত। ‘ভাল্লাগেনা’ রোগটা অনেকের কাছে ফ্যাশন মনে হলেও, কিছু কিছু মানুষ সত্যি সত্যিই এই রোগে আক্রান্ত। এই ‘ভাল্লাগেনা’ রোগটি একসময় আক্রান্ত রোগীকে গভীর ডিপ্রেশনে নিয়ে যায়।

অনেকে সেই ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে পারে, বেশিরভাগ মানুষই সেই ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে পারে না। প্রতিটা মানুষের মধ্যেই কিছু না কিছু সুপ্ত প্রতিভা বিরাজ করে। আপনি নিজেও হয়তো জানেন না আপনার মধ্যে কি বিশাল প্রতিভা রয়েছে! আপনার সুপ্ত এই প্রতিভাগুলোকে জেগে উঠানোর জন্য দরকার মোটিভেশন। দরকার আপনার ব্রেইনকে সুন্দর এবং সঠিকভাবে ট্রেইনআপ করা।

মনের মধ্যে চাপা কষ্ট কম বেশি সবারই আছে। মনের চাপা কষ্টগুলো মন খুলে বলার জন্য নিশ্চয় মনের কোনো বন্ধু খুঁজছেন? কাকে বিশ্বাস করবেন, কেইবা আপনার মনের কথাগুলো শুনে আপনাকে ভালো কোন পরামর্শ দিবে?মনের একজন সঠিক বন্ধুর অভাবেও অনেকে হতাশায় ভুগেন! চলে যান গভীর ডিপ্রেশনে!

ডিপ্রেশন অনেক কারণে হতে পারে – চাকরি না পাওয়া, পরীক্ষায় ভালো ফলাফল না করা, অনেক চেষ্টা করেও উন্নতি করতে না পারা, পারিবারিক সমস্যা, প্রেমে ব্যর্থতা ইত্যাদি আরো নানা রকম কারণ রয়েছে। আমাদের দেশে দিনে দিনে ডিপ্রেশন বাড়ছে, সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আত্মহত্যা।

ডিপ্রেশনের উপযুক্ত ওষুধ হচ্ছে প্রোপার কাউন্সেলিং। কিন্তু আমাদের দেশে প্রোপার কাউন্সেলিং কয়জন পেয়ে থাকেন? আমাদের দেশে আবার মানসিক সমস্যাকে অনেকে পাগল মনে করে থাকেন। তাই অনেকে নিজের মানসিক সমস্যা নিজের মধ্যেই চেপে রাখেন কারণ অন্যের কাছে নিজেকে পাগল প্রমাণিত করে কে হাসির পাত্র হতে চায় বলুন?

অনেকে আবার হয়তো নিজের মানসিক সমস্যার কথা পরিবারকে জানান কিন্তু পরিবার আবার তাকে একজন ভালো কাউন্সেলারের কাছে নিয়ে যেতে নারাজ। কারণ অনেকেই কাউন্সেলিং করাকে ভালো চোখে দেখেন না। কাউন্সেলিংকে অনেকে পাগলের চিকিৎসা মনে করেন! নিজের সন্তানকে পাগল প্রমান করতে কোন বাবা মা চায় বলুন ?

এতো কিছুর পরেও যারা কাউন্সেলিং নিতে চায়, তারা বেশ কিছু সমস্যার সম্মুখীন হয়। প্রথমত, বাংলাদেশে মানসম্পন্ন কাউন্সেলার রয়েছেন অল্প কয়েকজন, তাই তাদের এপয়েন্টমেন্ট পাওয়া সময় সাপেক্ষ। কাউন্সেলিং সেশনে একজন কাউন্সেলারকে অনেক সময় দিতে হয়, তাই তাদের ভিজিটও একটু বেশি।

আবার ঢাকার বাহিরে ভালো মানের কাউন্সেলার নেই বললেই চলে, তাই প্রতন্ত অঞ্চল থেকে ঢাকায় এসে কাউন্সেলিং নেওয়া অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয়না। ওমেন্স কর্নার এ সকল সমস্যার সমাধান করে দেশের বিশাল জনগুষ্টিকে মানসিক সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দেওয়ার একটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এই পদক্ষেপের অংশ হিসাবে সম্প্রতি ওমেন্স কর্নারে যুক্ত হয়েছেন ডা. ইফতেখার আলম সিদ্দিকী (Addiction specialist and Counselor)। তিনি বাংলাদেশের বেষ্ট কয়েকজন কাউন্সেলারের মধ্যে অন্যতম। অটিজমের মতো বিশাল একটি সমস্যা নিয়েও তিনি কাজ করছেন। তাছাড়া তিনি আরো বিভিন্ন নানান সামাজিক কর্মকান্ডে যুক্ত। এত ব্যস্ততার পরও তিনি আমাদের ওমেন্স কর্নারের প্রতিটা সম্মানিত সদস্যদের জন্য আলাদা কিছু সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

আমরা সবাই জানি কাউন্সিলিং একদিনের কাজ নয়। তবে হ্যাঁ! কিছু কিছু সমস্যা রয়েছে যেগুলো হয়তো মোটামোটি একদিনেই সমাধান দেওয়া যায়। নানা দিক চিন্তা ভাবনা করে ওমেন্স কর্নার তাদের সম্মানিত সদস্যদের জন্য সুন্দর একটি সমাধান নিয়ে এসেছে।

আপনারা যারা খুব বেশি ইন্ট্রোভার্ট, পারিবারিক বিষয় নিয়ে যারা খুব হতাশ, চাকরি না হওয়া কিংবা পড়াশোনায় মনোযোগ না পাওয়া, অনেকে তার জীবনের মোটিভেশন পাচ্ছেন না, প্রেমে ব্যর্থতা কিংবা ইত্যাদি আরো নানা সমস্যার সুম্মুখীন হচ্ছেন তারা ওমেন্স কর্নারের সৌজন্যে সম্পূর্ণ ফ্রীতে ফোনে / স্কাইপে ডা. ইফতেখার আলম সিদ্দিকীর সাথে কাউন্সিলিং করতে পারবেন।

প্রথম সেশনেই আপনার সমস্যার সমাধান হয়ে গেলো আপনাকে কোনো পেমেন্ট করতে হবেনা। যদি আপনার সমস্যা গভীর হয় এবং একাধিক সেশন প্রয়োজন হয় তাহলে পরবর্তী সেশন থেকে আপনাকে পে করতে হবে। টেনশনে পড়ে গেছেন? কাউন্সিলারদের ভিজিট তো অনেক বেশি! সেটাই ভাবছেন তো? টেনশনের কিছু নেই।

ওমেন্সকর্নার আছে তো আপনাদের পাশে। ডা. ইফতেখার আলম সিদ্দিকীর নির্ধারিত ভিজিট থেকে ১৫% (সরাসরি কাউন্সিলিং) আর ফোনে / স্কাইপে কাউন্সিলিং (১০%) ডিসকাউন্ট পাবেন ওমেন্স কর্নারের সম্মানিত সদস্যরা। এই সেবা পেতে হলে আপনাদের কিছু নিয়ম মানতে হবে।

নিয়মগুলো হচ্ছে – ১. ওমেন্স কর্নারের পেইজে লাইক এবং গ্রুপে অ্যাড থাকতে হবে। ২. আপনার নাম, ফোন নাম্বার এবং আপনার সমস্যা আগে আমাদের জানাতে হবে। মনে রাখবেন আমাদের রেফারেন্স ছাড়া আপনারা ডিসকাউন্ট পাবেন না। আমাদের কাছ থেকে আপনার নাম, ঠিকানা না গেলে তিনি আপনাকে আমাদের রেফারেন্স ধরবেন না।

৩. প্রতিটা ডাক্তার তার রোগীদের খুব ভালোভাবেই কেয়ার করে থাকেন। আমাদের রেফারেন্সের প্রতিটা রোগীকে একটু এক্সট্রা কেয়ার করা হবে। আমরা সেভাবেই কথা বলে নিয়েছি। ডাক্তাররা রোগীদের পর্যাপ্ত সময়ে দিতে চায় না এমন একটি নেগেটিভ ধারণা কম বেশি সবার মনে রয়েছে। আমরা এই নেগেটিভ ধারণাটাও দূর করতে চাই।

৪. আপনি যখন ফোন/ স্কাইপে কাউন্সেলিং নিবেন তখন আপনাকে আগে বিকাশে টাকা পে করতে হবে। সরাসরি কাউন্সেলিং এর সময় সরাসরিই পে করবেন।

বি : দ্র : ওমেন্সকর্নার আর্থিক লেনদেনের সাথে কোনোভাবেই যুক্ত নয়। সব ধরনের আর্থিক লেনদেন আপনার আর কাউন্সেলার এর মধ্যে হবে। তবে আপনার যদি কোনো অভিযোগ থাকে সেটা ওমেন্স কর্নারে আপনি জানাতে পারবেন। আপনাদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ায় আমাদের উদেশ্য। তথ্যসূত্র : রেজাউল ইসলামের ফেসবুক পেইজ থেকে নেওয়া।101SHARESShareTweet

প্রতিদিনের খবর পড়ুন আপনার ই-মেইল থেকে