ঢাকা, মঙ্গলবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০ আশ্বিন ১৪২৬

নারী অধিকার রক্ষায় সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান

https://www.jagonews24.com/national/news/439335
BYনিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ০২:৩১ এএম, ১৩ জুলাই ২০১৮

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়শা খানম বলেছেন, নারীর অধিকার মানবাধিকার আর এই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হলে সমাজের গোটা কাঠামো, পাঠ্যসূচি, পোশাক অনেক কিছু পরিবর্তন করতে হয় যা করা অনেক চ্যালেঞ্জিং। তাই নারীর অধিকার রক্ষায় সকলের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানাই।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সুফিয়া কামাল ভবনে আয়োজিত ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক অষ্টম সার্টিফিকেট কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়শা খানম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং বাংলাদেশ নারী আন্দোলন বহুমাত্রিক পদ্ধতিতে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। নারীর আত্মআবিষ্কার, আত্মজাগরণ এবং আত্মপরিচয়ের যে প্রচেষ্টা সেটা পরবর্তীতে নারী আন্দোলন, নারীবাদসহ বিভিন্ন পরিচয়ে বিকশিত হয়। আমাদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সমাজে মানবসম্পদ তৈরি হবে এবং আমরা নারী-পুরুষের সমতাপূর্ণ সামজ গড়ে তুলতে সক্ষম হবো।

কোর্স পরিচালক ও সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম বলেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ একটি আন্দোলনমুখী গণনারী সংগঠন। দীর্ঘ ৪৭ বছর ধরে নারীর অধিকার প্রতিষ্ঠার কাজ করে চলছে সংগঠনটি। সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মহিলা পরিষদ নারীর ক্ষমতায়নের কাজ করে যাচ্ছে। তারই একটি অংশ হিসেবে জেন্ডার সংবেদনশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলার জন্য এই জেন্ডার সার্টিফিকেট কোর্সের আয়োজন। মহিলা পরিষদ মনে করে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি যতদিন পরিবর্তন না হচ্ছে, প্রচলিত গতানুগতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন না হচ্ছে ততদনি সমাজে নারীর মানবাধিকর প্রতিষ্ঠা হবে না।

আয়োকরা জানান, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আয়োজিত ‘জেন্ডার, নারীর ক্ষমতায়ন ও উন্নয়ন’ বিষয়ক অষ্টম সার্টিফিকেট কোর্সটি তিনমাস ব্যাপী। যার উদ্দেশ্য হচ্ছে জেন্ডার সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে জেন্ডার সংবেদনশীল মানবসম্পদ গড়ে তোলা। কোর্সে এ বছর ১৭ জন শিক্ষার্থ অংশগ্রহণ করে।

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আয়শা খানমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- সহ-সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাখী দাশ পুরকায়স্থ, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদা রেহানা বেগম, সাংগঠনিক সম্পাদক উম্মে সালমা বেগম প্রমুখ।

এএস/বিএ