ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৪ আশ্বিন ১৪২৭

রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীনসহ অন্যান্য দেশকে এগিয়ে আসার আহ্বান

https://www.jagonews24.com/national/news/506248
BYজেসমিন পাপড়ি জেসমিন পাপড়ি , কূটনৈতিক প্রতিবেদক ইউনান, চীন থেকে প্রকাশিত: ১০:০১ পিএম, ১২ জুন ২০১৯

চলমান রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে চীন ও অন্যান্য এশীয় দেশসমূহকে আরও সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। কারণ, আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য এ সমস্যার সমাধান জরুরি।

মঙ্গলবার চীনের ইউনান প্রদেশে অনুষ্ঠিত চীন-দক্ষিণ ও এশিয়া মিডিয়া ফোরামে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়টি উত্থাপন করে এ আহ্বান জানানো হয়। শহরের হিলটন ইউক্সি ফুক্সিয়ান লেক রিসোর্টে দ্বিতীয় চীন-দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা ফোরামের পাশাপাশি চীন-দক্ষিণ এশিয়া মিডিয়া ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশের পক্ষে অংশ নেন বাংলাদেশ বেতারের কন্ট্রোলার অব নিউজ তানিয়া নাজনীন ও তথ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য কর্মকর্তা আকরাম উদ্দিন আহমদ মীরসহ বেশ কয়েকজন গণমাধ্যমকর্মী।

এ ছাড়া সিনহুয়ানেটের ডেপুটি এডিটর ইন চিফ লিউ জিয়াওয়েন, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, আফগানিস্তান, কম্বোডিয়া, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও শ্রীলঙ্কার সিনিয়র সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন।

ফোরামের গোলটেবিল বৈঠকে বক্তব্যকালে তানিয়া নাজনীন বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের জন্য আমরা চীন ও অন্যান্য এশীয় দেশগুলোর আরও বেশি সম্পৃক্ততা আশা করছি।’

কক্সবাজার জেলায় রোহিঙ্গা শিবির পরিদর্শন করে প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য চীন ও অন্যান্য দেশের গণমাধ্যমকর্মীদের অনুরোধ জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বক্তারা রোহিঙ্গা ইস্যু ছাড়াও গণমাধ্যম, ডিজিটাল রূপান্তর চ্যালেঞ্জ এবং নতুন যোগাযোগের উপায় সৃষ্টির জন্য সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করে আলোচনা করেন।

তারা বলেন, একসঙ্গে কাজ করার এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে একসঙ্গে বসবাস করার জন্য অনেক কিছু শিখিয়েছে ইতিহাস।

সাংবাদিকরা বলেন, সম্মিলিতভাবে কাজ করলে আঞ্চলিক উন্নয়ন সম্ভব।

প্রসঙ্গত, বর্তমানে বাংলাদেশে ১২ লক্ষেরও বেশি রোহিঙ্গা ববসবাস করছে। যাদের অধিকাংশই ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর থেকে দেশটির সেনা অভিযানের মুখে প্রাণ বাঁচাতে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশ প্রবেশ করে।

মানবিক কারণে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া হলেও রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান করে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের আদিনিবাসে নিরাপদে ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে দৃঢ় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ।

জেপি/এসএইচএস/পিআর