ঢাকা, বুধবার, ১৭ জুলাই ২০১৯, ২ শ্রাবণ ১৪২৭

প্রজন্মের কথা চিন্তা করে মাছ ধরা বন্ধ রাখার আহ্বান মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর

https://www.ppbd.news/https:/ppbd.news/national/106966
BYচট্টগ্রাম প্রতিনিধি
প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৯, ১৭:২৪

বক্তব্য রাখছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু। ছবি: পিপিবিডিনিউজ পরবর্তী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে নির্দিষ্ট সময়ে মাছ ধরা বন্ধ রাখতে জেলেদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী মো. আশরাফ আলী খান খসরু বলেছেন, কষ্ট হলেও ৬৫ দিন মাছ আহরণ থেকে বিরত থাকুন। পরে এর সুফল মিলবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) দুপুরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ২০ মে থেকে ৬৫ দিন বঙ্গোপসাগরে সামুদ্রিক মাছ আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা যে জাল সাগরে ব্যবহার করেন সে জালে ছোট মাছও উঠে আসে। যার কারণে এ মাছগুলো বড় হওয়ার সুযোগ পায় না।

দেশ ও জাতির কথা চিন্তা করেই আমাদেরকে এটি মেনে নিতে হবে। এভাবে বঙ্গোপসাগরে নির্বিচারে মাছ আহরণ করতে থাকলে এ সম্পদ লুপ্ত হয়ে যেতে পারে বলেও মনে করেন তিনি।

আশরাফ আলী বলেন, বঙ্গবন্ধু নিজেই বলেছিলেন মৎস্য হবে আমাদের দ্বিতীয় রপ্তানি। তাই রপ্তানি উন্নীত করতে হলে বিধি নিষেধ মানতে হবে। তাছাড়া সাগরে জলদস্যুতা আগের মতো নেই, অনেকটা কমে গেছে। আইন প্রয়োগ করার পর ছিনতাইয়ের ঘটনাও কমেছে।

মাছ আহরণে সরকারি নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে বিকল্প ব্যবস্থা, সহায়তার আশ্বাস দেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

মেয়র বলেন, জেলেদের প্রস্তাবনাটা অস্বীকার করার মত নয়। সবকিছু ভেবেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে। বিকল্প ব্যবস্থা না করলে তাদেরকে না খেয়ে থাকতে হবে। তাদেরকে অন্তত কোনো অনুদান দিতে হবে যাতে কোনো রকম খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. রইছ উল আলম মণ্ডল। এসময় উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য এম. আবদুল লতিফ, জেলা প্রশাসক মো. ইলিয়াস হোসেন, মেরিন ফিশারিস অ্যাকাডেমির ক্যাপ্টেন মাসুক প্রমুখ।

এরআগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে আসছেন এমন সংবাদে সকাল থেকেই ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে সার্কিট হাউজ প্রাঙ্গণে আসতে শুরু করেন চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার জেলেরা। দুপুরে সার্কিট হাউজে সম্মেলন কক্ষে সভা শুরু হলে বাইরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেন জেলেরা।

পিপিবিডিনিউজ/কেএম