ঢাকা, বুধবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১১ আশ্বিন ১৪২৬

কোটার বিষয়টি সহানুভূতি নিয়ে বিবেচনা করুন: প্রধানমন্ত্রীকে রওশন

http://www.rtvonline.com/bangladesh/46378/কোটার-বিষয়টি-সহানুভূতি-নিয়ে-বিবেচনা-করুন-প্রধানমন্ত্রীকে-রওশন
BYআরটিভি অনলাইন রিপোর্ট|  ১২ জুলাই ২০১৮, ১৯:৪৭ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৮, ১৯:৫৪

ফাইল ছবি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোটা সংস্কারের দাবির বিষয়টি সহানুভূতির দৃষ্টি নিয়ে বিবেচনা করতে অনুরোধ করেছেন বিরোধী দলের নেতা রওশন এরশাদ।

বৃহস্পতিবার সংসদের বাজেট অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে সরকার প্রধানের প্রতি এই অনুরোধ করেন তিনি।

রওশন এরশাদ বলেন, কোটা নিয়ে ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অনেক বিভ্রাট দেখা যাচ্ছে। তারা তো আমাদের সন্তান। তারা তো আবদার করবেই। তারা তো চাকরি চাইবেই। তাদের চাকরিতে যেমন করে হোক প্রোভাইড করতে হবে। চাকরি দিতে হবে।কোটা সংস্কারআন্দোলনকারীদের সহানুভূতির দৃষ্টিতে দেখুন।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ৫ কোটি বেকার রয়েছে। এদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। এদের কাজ নেই বলে দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছে।শিক্ষা খাতের বর্তমান অবস্থা দূর করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে প্রশ্নপত্র ফাঁস রোধ করতে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। -------------------------------------------------------- আরও পড়ুন: কোটা সংস্কার হবে, তবে তা হাইকোর্টের রায় অম্যান্য করে না : প্রধানমন্ত্রী --------------------------------------------------------

পাস হওয়া বাজেট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজেটে প্রণোদনা নেই। ব্যাংক লুটপাটকারীদের কর কমানো হয়েছে। ব্যাংক খাতে লুটপাট চলছে। সুশাসন প্রতিষ্ঠার কোনও বিকল্প নেই। ব্যাংক খাতের নৈরাজ্য বন্ধ করতে হলে সংস্কারের কোনও বিকল্প নেই। ১৬ লাখ মানুষ ব্যাংক হিসাব বন্ধ করে দিয়েছে।

খাদ্যে ভেজালের প্রসঙ্গে বিরোধী দলের নেতা বলেন, যতবারই বলি প্রধানমন্ত্রী হেসে উড়িয়ে দেন। হেসে উড়িয়ে দেয়ার কথা না। ডিজিটাল বাংলাদেশ কীভাবে গড়বেন? আবহাওয়া পর্যন্ত দূষিত। নদী ভালো নেই। আবহাওয়ায় সীসা। এগুলো দেখতে হবে।

যানজট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী চলাচল করলে রাস্তা বন্ধ রাখা হয়। রাস্তায় যানজট ছাড়তে ছাড়তে রাত হয়ে যায়। অন্য রাস্তায় যাওয়াই যায় না। বৃষ্টিতে সব রাস্তা ভাঙা। এখানে যারা আছেন সবাই জানেন। কেউ কিছু বলে না সাহস করে।

অর্থবছর পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে রওশন বলেন, ব্রিটেনে অর্থবছর শুরু হয় এপ্রিল মাসে। যুক্তরাষ্ট্রে অক্টোবরে। বাংলাদেশের আবহাওয়া অনুযায়ী জানুয়ারি-এপ্রিল মাসে হতে পারে। যখন অর্থ ছাড় শুরু হয়, তখন বর্ষা শুরু হয়। কাজ ঠিকমত হয় না।

আরও পড়ুন:

কে/জেএইচ