ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৫
BY  অনলাইন ডেস্ক ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৪:৫০ | আপডেট : ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৫:১২ | অনলাইন সংস্করণ

চাঁদের গায়ে ধোঁয়াটে ফোয়ারা দেখে অবাক হয়েছিলেন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও রুটগার বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল বিজ্ঞানী। শক্তিশালী টেলিস্কোপের মাধ্যমে তারা দেখতে পান চাঁদের বুকে গভীর, অগভীর ভাসমান ঘন মেঘ।

সন্দেহ কাটাতে দীর্ঘদিন ধরে বিষয়টি নিয়ে গবেষণা চালান তারা। অবশেষে ভেদ হলো রহস্য। আসলে ধোঁয়াটে ফোয়ারা ও ভাসমান ঘন মেঘগুলোর কোনো অস্তিত্ব নেই সেখানে। বরং সেগুলো হলো- চাঁদের নিজস্ব চৌম্বকক্ষেত্র আর অতীতে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

সম্প্রতি লাইভসায়েন্স ডট কম তাদের ওয়েবসাইটের একটি প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে।

ক্যালিফোর্নিয়া ও রুটগার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই বিজ্ঞানীরা দাবি করেন, ধোঁয়াটে ফোয়ারাগুলো হলো চাঁদের নিজস্ব চৌম্বকক্ষেত্র। এগুলো চাঁদের ‘ভূ-চুম্বক’। প্রায় তিন লাখ বছর আগে এগুলো সৃষ্টি হয়েছে।

তাদের এক সমীক্ষায় চৌম্বকক্ষেত্রগুলো গঠনের বিষয়টি সামনে এসেছে। তারা বলছেন, পরীক্ষায় দেখা গেছে, ১২০০ ফারেনহাইট তাপে অক্সিজেনশূন্য অবস্থায় চাঁদের পাহাড় ভেঙে এক ধরনের তরল লোহা নির্গত হয়। এর চৌম্বকশক্তি খুবই তীব্র।

বিজ্ঞানীদের দাবি অনুযায়ী,তিন লাখ বছর আগে চাঁদে যে বিরাট অগ্ন্যুৎপাত হয়েছিল তার লাভা ঠাণ্ডা হয়ে বিস্তীর্ণ ভূমিরূপ গঠন করেছে। এই লাভার শক্তি খুবই বেশি। এ কারণেই তার চৌম্বকশক্তি তীব্র হয়েছে।